
সাম্প্রতিক সময়ে “ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্ট্রেস” (DMJ)-এর বিডিএস উইংয়ের মুখপাত্র হিসেবে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রেস ব্রিফিং করা ডা. হাবিবুর রহমান সোহাগের আসল পরিচয় নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।
উসকানিমূলক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন ডা. হাবিবুর রহমান। উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিডিএস উইং-এর কেন্দ্রীয় কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. সাইফুল ইসলাম ও ডা. মো. রিফায়েত হোসেনসহ স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেন্টাল চিকিৎসকদের অধিকার আদায়ের কথা বললেও তিনি মূলত আওয়ামী রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং ডা. সাইফুল ও ডা. রিফায়েত এর সাথে মিলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
মূল অভিযোগ ও প্রাপ্ত নথিপত্রে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার প্রকাশিত ২০২০-২০২১ সালের শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিশ্লেষণ করে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে যে তথ্যগুলো পাওয়া – স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আওতাধীন শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ শাখার কমিটি অনুযায়ী তিনি অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডা. হাবিবুর রহমান।
দলীয় সংশ্লিষ্টতায় ২০২০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর স্মারক নং ‘স্বাচিপ/সিরাজ/১৯.০৯.২০২০.০১ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর এই পদায়ন অনুমোদিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন দলীয় রাজনৈতিক ব্যানারেও তাঁর সরব উপস্থিতি ও পদ-পদবী রয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্বৈরাচারের দোসররা বিভিন্ন ব্যানারে লুকিয়ে থেকে স্বাস্থ্য খাতকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে কি না—তা নিয়ে এখন গুরুতর প্রশ্ন তুলছেন সচেতন চিকিৎসক সমাজ ও সাধারণ মানুষ।