মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় দুজনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন আদমজী ইপিজেডে আবারও চার নারী শ্রমিক অসুস্থ আদালত চত্বরে হত্যা মামলার আসামি শেখ সিফাতকে মারধর সংঘর্ষের ১৮ দিন পর খুলছে তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাস সরকারি নিয়মেই বদলি, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দুই জিডি সিভিল সার্জনের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় ১০ লিটার চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার নওগাঁয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নওগাঁর মহাদেবপুরে মিল-কারখানার ছাই-ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ নওগাঁর পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে মাদক ও চোলাই মদবিরোধী উঠান বৈঠক নওগাঁয় কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন।

ফারিহা গার্মেন্টসের স্টোররুমে মিললো এজিএম’র ঝুলন্ত লাশ, হত্যার অভিযোগ

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১০.৫৮ এএম
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার স্টোররুমে তার মরদেহ মেলে বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম।

নিহতের নাম ইদ্রিস আলী (৪৩)। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদীর আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল দশটার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

“সোমবার সন্ধ্যায় সাতটায় ছুটি হবার পর তার গাড়িতে করে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার সহকর্মীরা তাকে ফোন দিয়েও পাচ্ছিল না। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। আজ তার লাশ পাওয়া গেলো। ইদ্রিসের মরদেহটি যে স্টোররুমে মিলেছে সেটি নিয়ন্ত্রণেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনিই। ওই ঘরটির লাইট বন্ধ ছিল,” যোগ করেন মনির।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হবার পর সন্ধ্যায় তিনি কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফেরেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে তা কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইদ্রিস কারখানাতে নেই।’

“আমরা পুলিশকেও জানিয়েছিলাম রাতেই। সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। উনি নামাজ-কালাম পড়তেন, ভালো মেজাজের মানুষ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। আমাদের এ মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে।”

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেবার কথাও জানান নিহতের স্ত্রী।

এদিকে থানা পুলিশের ওসি মাহবুব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে কারখানাটির সামনে গেলে নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়ে। তাদের নিভৃত করার পর আইনি কার্যক্রম চলছে।

এদিকে, ‘হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার’ অভিযোগ তুলে সেখানে বিক্ষোভ করছেন কারখানাটির শ্রমিকরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort