রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে মাদক নির্মূল ও সামাজিক সচেতনতায় যুবসমাজের বিশাল সমাবেশ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অটোরিকশা অটোটেম্পা মিশুক ও বেবি ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ চাষাঢ়ায় ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে পটকা নিক্ষেপ, আটক ২ আজমেরী অনুসারী বর্তমান সহ-সভাপতি, নতুন কমিটিতেও দাপুটে অবস্থানে সাফি ইসলাম দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রবাসীদের বাড়িতে সায়েম আহম্মেদ; শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ফতুল্লার ৭নংওয়ার্ডের বিএনপি ও এলাকাবসীর উদ্যোগে মাদক বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল নাসিকের হাজার কোটির বাজেট ঘোষণা করলেন সাখাওয়াত আপনারা হাসিনার চেয়ে কম ফ্যাসিস্ট, কম সন্ত্রাসী: এমপি আল আমিন র‍্যাবের ছায়া দেখলেই বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে হতো: এমপি কালাম বিডিএস উইং’-এর ব্যানারে ডা. হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের দোসর চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে স্ত্রীর যোগসাজশে প্রশ্নফাঁস চক্রে নোমান

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০২৪, ১০.২২ এএম
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

পিএসসির প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডে গ্রেফতার ১৭ জনের মধ্যে একজন লক্ষ্মীপুরের রামগতির নোমান সিদ্দিকী। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার দুই নম্বর আসামি।

পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে স্ত্রী সাফিয়া সুলতানা স্বর্ণার যোগসাজশে নোমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে তার সম্পর্কও তেমন ভালো নয়। স্ত্রীর কথার বাইরে তিনি কোনো কাজ করেন না বলেও জানিয়েছেন স্বজনরা।

নোমান রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চর মেহের গ্রামের মৃত আবু তাহের মিয়ার ছোট ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নোমান রামগতির চর মেহের আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৬ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৯৮ সালে সেনাবাহিনীতে সাধারণ সৈনিক (জিডি) হিসেবে যোগদান করেন। ১৯ বছর চাকরি করে তিনি অবসর নেন। চাকরি জীবনে তিনি জাতিসংঘের অধীনে লাইবেরিয়ায় শান্তি মিশনে দায়িত্ব পালন করেন।

 

২০০৭ সালে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা শহরের বিদ্যুৎ কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনের মেয়ে সাফিয়া সুলতানা স্বর্ণাকে বিয়ে করেন। স্বর্ণা ঢাকার মিরপুরে শিক্ষা অধিদপ্তরে চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি গৃহিণী। স্বর্ণা সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর আত্মীয় বলেও জানা গেছে।

চর আলগী ইউনিয়নের রামদয়াল বাজারে নোমানের বড় ভাই ওমর ফারুকের ওষুধের দোকান রয়েছে। তার মেজো ভাই মো. সালাহ উদ্দিন সেনাবাহিনীতে ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত।

নোমানের বিষয়ে তার ভাই ওমর ফারুক ও ভগ্নিপতি মেজবাহ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে নোমান বাড়িতে কম যান। তার বাবা আবু তাহের মারা যাওয়ার পর থেকে যেতেন না বললেই চলে। যদিও যেতেন পরিবারের অন্য কারও সঙ্গে যোগাযোগ বা কথা বলতেন না। স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে তিনি ঢাকায় বসবাস করেন। গ্রামে বাবার সম্পত্তি ছাড়া তার ব্যক্তিগত কোনো কিছু নেই। যদি তিনি কোনো সম্পদ অর্জন করেও থাকেন সেগুলো ঢাকায় ও তার স্ত্রীর এলাকায় হতে পারে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort