
নিজেস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিলেন একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সহকারী প্রধান শিক্ষক ইসমাইল গং। এতে করে অত্র স্কুল ও কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে সেই সাথে এই ঘটনায় শিক্ষার্থী-শিক্ষক সহ অভিভাবকরা ফুঁসে উঠেছেন। যে কোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
এই বিষয়ে বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বৈধ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (৫২), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বন্দর থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৫৯), পিতা-অজ্ঞাত, ২। শেখ ময়নুল হক (৫০), পিতা-অজ্ঞাত, ৩। এম এম রফিকুল ইসলাম (৪৮), পিতা-অজ্ঞাত, ৪। আবুল কালাম আজাদ (৩৫), পিতা-অজ্ঞাত, ৫। মোঃ হিরা (৪২), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং-অজ্ঞাত, থানা-অজ্ঞাত, জেলা-অজ্ঞাতসহ অজ্ঞাতনামা ০৫/০৭ জনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পত্রে তিনি উল্লেখ্য করেন, বন্দর থানাধীন বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি কর্মরত আছেন। ১ নং বিবাদী অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং ২ ও ৩ নং বিবাদীদ্বয় কলেজ শাখার প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন, ৪ ও ৫ নং বিবাদী বন্দর গার্লস স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
গত ২৬/০৩/২০২৩ তারিখ হইতে বন্দর থানাধীন বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়ীত্ব পালন করিয়া আসিতেছি। উক্ত ১ নং বিবাদী দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়তারা করিয়া আসিতেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ইং-০৭/০৫/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ০১.৩০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বিবাদীগন একত্রিত হইয়া বিনা অনুমতিতে অধ্যক্ষ এর রুমে প্রবেশ করিয়া অধ্যক্ষ এর চেয়ারে বসে এবং চিৎকার চেচামেচি করিয়া বলিতে থাকে যে অদ্য হইতে আমি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়ীত্ব গ্রহণ করিলাম। এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কেউ বাড়াবাড়ি করিলে তাকে জীবন নাশ করিয়া ফেলিবে। এই বিষয়ে তাৎক্ষনিক তিনি বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষকদের জানাইলে তাহারা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এর রুমের সামনে আসিলে বিবাদীদ্বয় বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখানোর কারনে সবাই কোন কথা না বলিয়া ছুটি শেষে বাসায় চলিয়া যায়।
পরবর্তীতে বিবাদীরা গত ইং-০৭/০৫/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় অধ্যক্ষের রুমে তালা দিয়া চলিয়া যায়। অত:পর তিনি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অত্র প্রতিষ্ঠানের গভর্ণিং বডিসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন।
তালা দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে, বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: ইসমাইল হোসন এর মুঠোফোন নাম্বারে কল দিলে তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।