
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আমলাপাড়া এলাকায় আদর্শ শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলমান ব্যবস্থাপনা কমিটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে চাষাড়ায় অবস্হিত দৈনিক রুদ্রবার্তা অফিস কার্যালয়ে ওই অভিযুক্ত কমিটিদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্কুলের অভিভাবক মোঃ শফিউদ্দিন ও ফাহমিদা আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ শফিউদ্দীন ও ফাহমিদা আক্তার অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, গঠন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমান সদস্য সচিব (প্রধান শিক্ষক) এবং স্থানীয় কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহল সম্পূর্ণ নিয়ম বহিভূত ভাবে পকেট কমিটি গঠন করে নজিরবিহীন জালিয়াতি ও সেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিয়েছেন। নিয়ম অনুসারে বিদ্যালয়ের তফসিলের খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রকাশ করার স্পষ্ট আইনি থাকলেও তা প্রণয়ন না করে কারচুপির মাধ্যমে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। যার নিয়ম বহিভূত বলে সকলেই মনে করছেন। এছাড়াও কমিটির নেতৃবৃন্দরা সকল তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জালিয়াতি ও স্বজনপ্রীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে চারজন প্রার্থী উপস্থিত দেখিয়ে আরো অনুপস্থিত চার জনের অতিরিক্ত মনোনয়ন পএ বিক্রি করার ভুয়া রেকর্ড তৈরি করেছেন। যা এই চারটি ফরম মূলত সদস্য সচিবের সম্পূর্ণ নিজস্ব মনোনীত পকেট প্রার্থী। যাদের উপস্থিতি ছাড়াই ফরম বিক্রি করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এদিকে এই কাজে বাধা প্রদানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির অনুসারীরা বিদ্যালয়ে অবস্থান নিয়ে অন্য প্রার্থীদের বাধা সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও উল্লেখ্য করেন আমি শফিউদ্দিন ও আমার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার তানিয়া বৈধ অভিভাবক হিসেবে প্রার্থী হওয়া শর্তেও একই পরিবারের অজুহাত তুলে নির্বাচনকে পরাজিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়াও মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের ফmলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের কাল্পনিক অজুহাত দেখিয়ে রহস্যজনক ভাবে বিলম্ব করা হচ্ছে যা নির্বাচনকালের একটি নীল নকশা করা হচ্ছে। তাই বর্তমান বিতর্কিত সদস্য সচিবের অধীনে কোনভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই সকল দিক বিবেচনা করে দুর্নীতি পরায়ন সদস্য সচিবকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অবিলম্বে অবসর দিয়ে একটি যোগ্য নিরপেক্ষ সরকারি কর্মকর্তাকে দায়িত্বপ্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।