বিনীত নিবেদন এই যে, আমি সুস্মিতা রানী তালুকদার (২৮), পিতা- সুখীর তালুকদার, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৬৭৪০৬৬৪০৪, সাং- পাগলা, বৈরাগী বাড়ী, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ। থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। স্বরসতী (৪০), স্বামী- পলাশ মন্ডল, ২। নুপুর মন্ডল (২৩), ৩। শ্রাবন মন্ডল (২০), উভয় পিতা- পলাশ মন্ডল, ৪। মোঃ অন্তর (২১), পিতা-অজ্ঞাত, ৫। হৃদয় (২৮), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং- পাগলা, ডাকঘর-কুতুবপুর, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ সহ আরও অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন বিবাদীগনের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, উক্ত ১নং বিবাদী আমার প্রতিবেশী হয় এবং বিগত- এক বছর পূর্বে বিবাদী আমার কাছ থেকে টাকা কর্জ চাহিলে, আমি বিবাদীর কথা বিশ্বাস করিয়া ১নং বিবাদীকে নগদ-৩,৫০,০০০/- (তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ৪ আনা স্বর্ণালঙ্কার যাহা আমি বিবাদীকে কর্জ হিসেবে প্রদান করি এবং বিবাদী আমার কাছ থেকে উক্ত টাকা নেওয়ার পর আমাকে বলে যে, তোমার টাকা ও স্বর্ণ আমি কয়েকমাসের মধ্যে দিয়ে দিবো, এই কথা বার্তা বলে বিবাদী। অতঃপর বিবাদীর টাকা দেওয়ার মেয়াদ শেষ হলে, আমি আমার পাওনা টাকা ফেরত চাহিলে, বিবাদী আমাকে বিভিন্ন তারিখে ও সময়ে দিবে বলিয়া বিভিন্ন ধরনের পায়তারা ও তালবাহানা করিয়া আসিতেছে কিন্তু বিবাদী আমার টাকা ফেরত প্রদান করে নাই। সর্বশেষ অদ্য-০১/১০/২০২৬ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ০১:০০ ঘটিকার সময় আমার উল্লেখিত ঠিকানায় থাকাবস্থায় আমি ১নং বিবাদীর সহিত আমার পাওনা টাকা ফেরত চাহিলে, বিবাদীগন আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিয়া আমাকে এলোপাথারী ভাবে কিল, ঘুষি ও থাপ্পর লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে ফেলে। আমি আশে পাশে ডাক-চিৎকার করিলে, বিবাদীগন আমাকে বলে যে, তুই যদি এই বিষয় নিয়া কোন প্রকার বাড়াবাড়ি করিস কিংবা থানা পুলিশ করিস তাহলে, তোকে সন্ত্রাসী দিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি সাধণ করিবো, এই কথা বলিয়া বিবাদীগন আমার কাছে থাকা ১০ আনা স্বর্ণলংকার যাহা জোরপূর্বক ভাবে ছিনিয়ে নেয় এবং আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি প্রদান করে। এমতাবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি, বিধায় আমি কোন উপায়ন্তর না পাইয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।
অতএব, উপরোক্ত বিষয় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে জনাবের সদয় মর্জি হয়।
নিবেদক
সুস্মিতা রানী তালুকদার।