বিশ্বব্যাপী টেকসই, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পাঁচটি প্রস্তাবনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২৪ জুলাই) ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে ‘ইউএন ফুড
আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হচ্ছে সেনাবাহিনী। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না,
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে পরিকল্পিতভাবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছে এজন্য দেশের সার্বিক উন্নয়ন দ্রুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, সব সময়ই
১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে যাবেন। সেই সফরে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট-২, ৬৫-কিলোমিটার খুলনা-মংলা বন্দর রেলওয়ে লিংক, আখাউড়া (বাংলাদেশ) এবং
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার মান অনেক উন্নত হয়েছে। শিক্ষার মান আরও
আগামী দিনে ব্যবসায়ীদের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। সেই সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার সবসময় ব্যবসায়ীদের পাশে আছে। শনিবার (১৫ জুলাই)
নির্বাচন এবং শাসন ব্যবস্থায় বাংলাদেশির ব্যাপক অংশগ্রহণের বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের প্রত্যাশার বার্তা দিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল। যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলটি এক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংলাপের প্রত্যাশার কথাও ব্যক্ত করেছে। তারা
সরকার শুধুমাত্র দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে বাংলাদেশের কারো সঙ্গে কোন ধরণের যুদ্ধে জড়ানোর
স্বল্প সময়ের ঘোষণা, দেশি-বিদেশীদের কাছে সর্বোচ্চ শক্তি প্রদর্শনের চ্যালেঞ্জ, পথে পথে পুলিশের তল্লাশির নামে বাধার অভিযোগ, দফায় দফায় বৃষ্টিসহ নানামুখী প্রতিবন্ধকতায় উত্তীর্ণ রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। পরিকল্পনা অনুযায়ী নয়াপল্টনে
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নাগরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্ব ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন। প্রতিনিধি দলের কর্মকর্তাদের মধ্যে