বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের দুর্নীতির চক্রে রাষ্ট্রের ক্ষয় আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বন্দরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনৈতিক আবদার না মেটানোয় ভূমি কর্মকর্তা দুলালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ টঙ্গিবাড়ীতে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী বহুতল ভবন হিসেবে নতুন রূপে ফিরবে জিয়া হল: এমপি কালাম কুমির আতঙ্কে দিন পার করছেন বন্দরের তিনগাঁওবাসী, উদ্ধারে চলছে তৎপরতা বন্দরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে টুটুল হত্যা, গ্রেপ্তার তাফসীর স্বাধীন রাষ্ট্র, পরাধীন মানুষ—বাস্তবতার নির্মম প্রতিচ্ছবি ভাঙ্গায় নামজারি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, বিক্রি হয়ে যাওয়া জমিতেও ‘কাল্পনিক নামজারি’

শ্রীলঙ্কার মত চীনা ঋণের ফাঁদ নিয়ে উদ্বেগ ইন্দোনেশিয়ার

  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ মে, ২০২৩, ৪.৪০ এএম
  • ১৯০ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কা যেভাবে চীনের ঋণ নিয়ে ফাঁদে পড়েছে, সেই আশঙ্কা করছে ইন্দোনেশিয়াও। কারণ একটি উচ্চ-গতির রেলপথ নির্মাণে জাপানকে বাদ দিয়ে চীনকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগ উঠছে দেশটিতে। নিক্কেই এশিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কেরেটা সেপাট ইন্দোনেশিয়া সিনো এর ৪০% মালিকানা চীন সংশ্লিষ্টদের। জাভাতে নির্মাণাধীন উচ্চ-গতির রেলপথে ৫০ বছর বিশেষ সুবিধার সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ৩০ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব গত ডিসেম্বরে দিয়েছে তারা।
যদি ইন্দোনেশিয়ার সরকার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে না পারে তবে ২২ শতকের শুরু পর্যন্ত রেলপথটি চীনের প্রভাবের অধীনে থাকবে বলে নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে।
২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো ওই রেলপথ নির্মাণের জন্য জাপানের পরিবর্তে চীনকে বেছে নেন। ২০১৮ সালে শুরুর দিকে ওই প্রকল্প সমাপ্তি এবং একবছর পরই ট্রেন চালুর কথা ছিল। কিন্তু এখনও সেই নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এই বিলম্বের কারণে নির্মাণ প্রায় ৪০% বেড়ে যায়। যাতে ইন্দোনেশিয়া সরকার ৭ ট্রিলিয়ন রুপিয়া ব্যয় সামলাতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু এরপরও চীনের জন্য ৮০ বছর বিশেষ ছাড়ের যে কথা বলা হচ্ছে, সেখানে জাকার্তার উদ্বেগ একেবারে ভিত্তিহীন নয়। একজন কেবল ভারত মহাসাগর থেকে শ্রীলঙ্কার দিকে তাকালেই এর স্পষ্ট উদাহরণ পেয়ে যাবে।
শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরটি ২০১৭ সালে চীনের কাছে ৯৯ বছরের ইজার দেওয়া হয়। কারণ শ্রীলঙ্কা সরকার এর নির্মাণ ঋণ পরিশোধ করতে সমস্যায় পড়েছিল। এই বিষয়টিকে চীনের ‘ঋণ ফাঁদ কূটনীতি’ এর প্রকৃত উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।
এটি মূলত দেখায়, একটি ঋণদাতা দেশ অন্য দেশকে বিপুল পরিমাণ ঋণ দেয় এবং ঋণগ্রহীতা দেশ তা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে অক্ষম হলে ঋণদাতা দেশটি গ্রহীতার কাছ থেকে বিপুল অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করে। এভাবেই চীন ভূ-কৌশলগতভাবে শ্রীলঙ্কার গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে প্রবেশ করেছে। এই চিত্র ইন্দোনেশিয়াও হতে পারে কিনা সেই আশঙ্কার কথাই এখন বলা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort