যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনার ভিত্তিতে দুই দেশের সংকট নিরসনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি; আর সেই বৈঠকের জন্য ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেম সঠিক স্থান
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চলতি সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে যেতে পারেন বলে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল। এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই সপ্তাহে
এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা যে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার অবৈধ দখল এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব ইউক্রেনের দোনেস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ভাষণ দেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি। ভাষণ দেওয়ার মাঝে কংগ্রেসে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের একটি ভিডিও দেখান জেলেনস্কি। যে ভিডিওতে ছিল ইউক্রেনের মানুষের দুর্দশা ও যুদ্ধের ভয়াবহতা। জেলেনস্কির
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ২০দিন পার হয়ে গেল। রুশ বাহিনীর হালমায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহর যখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত। এদিকে আশানুরুপ সহযোগিতা না পেয়ে যখন ভলোদিমির জেলেনস্কি হতাশায় পুড়ছেন তখন ইউক্রেনের
পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের লভিভের ইয়াভোরিভ সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলার দায় স্বীকার করেছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, রোববারের এই হামলায় সেখানে ১৮০ জনের বেশি বিদেশি ভারাটে সৈন্য নিহত হয়েছে। এছাড়া
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব গিয়ে পড়েছে সুদূর ক্রোয়েশিয়াতেও। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেবে একটি সামরিক ড্রোন বিধ্বস্ত হয় বলে বিবিসি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় অবরুদ্ধ বন্দরনগরী মারিউপোলের ডেপুটি মেয়র বলেছেন, রাশিয়ার হামলায় শহরে ঠিক কত মানুষ মারা গেছেন, তা তিনি জানেন না। তবে মারিউপোলের সড়কে সড়কে পড়ে আছে শত শত মরদেহ।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হতে আর ইচ্ছুক নয় ইউক্রেন, এমনটিই জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। একইসঙ্গে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চল নিয়েও আলোচনায় রাজি হয়েছেন তিনি। মার্কিন
ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ ঘোষণা দেন। বিশেষজ্ঞদের মতে এই নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে যাবে গ্যাসের দাম। জ্বালানির ওপরই রাশিয়ার