বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত খুনের বিচার আপিলে দ্রুত নিষ্পত্তির আশা সাখাওয়াতের সাত খুন ও ত্বকী হত্যায় ওসমান পরিবার জড়িত: এমপি আল আমিন আপিল বিভাগে আইভীর ৫ মামলার জামিন বিষয়ে আদেশ ৩ মে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের বিচার নিষ্পত্তি হয়নি এক যুগেও সিদ্ধিরগঞ্জে আল-আরাফাহ ইসলামি এজেন্ট ব্যাংকে গ্রাহকদের টাকা আত্মাসাতের অভিযোগ নারী সাংবাদিক নার্গিস কিডনি রোগে গুরুতর অসুস্থ ; মানবিক সহযোগিতার আহ্বান জনপ্রিয়তায় শীর্ষে সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মো: শহীদ সরকার মুছাপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও সেবায় কাজ করতে চান মেম্বার পদপ্রার্থী মো. শাহ আলম ফতুল্লায় ডাইং কারখানায় গ্যাস চুরির অভিযোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, ফের কারাগারে ডিবির ৭ সদস্য

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫.৫৭ এএম
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় কক্সবাজারের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বহিষ্কৃত সাত সদস্যের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২০ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।

রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী বলেন, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের থানার পেছনের রোড থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা টেকনাফের ব্যবসায়ী আবদুল গফুরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। এরপর ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার স্বজনদের কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে ১৭ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় পরিবার। টাকা পৌঁছে দেওয়া হলে পরের দিন ভোররাতে আবদুল গফুরকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি গফুরের স্বজনরা সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা চৌকির কর্মকর্তাকে জানায়। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনীর এই নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল। মুক্তিপণ আদায়কারী ডিবি পুলিশের সদস্যরা মাইক্রোবাসে করে মেরিন ড্রাইভ সড়ক পার হওয়ার সময় চৌকির সেনাসদস্যরা মাইক্রোবাস তল্লাশি করে ১৭ লাখ টাকা পান। এ সময় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন সেনা সদস্যরা।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আবদুল গফুর বাদী হয়ে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজমকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর ২০১৮ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিবির সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort