
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হওয়ার পর, গত ১৭ বছরের অপকর্মের কারণে সারাদেশে যখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে ঠিক সেই সময় লক্ষীপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি প্রভাবশালী নেতা ফ্যাসিস্ট ছানা মান্নান নিজ জেলা থেকে পলাতক। নারায়ণগন্জ বন্দর থানা অধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ালেও তাকে অজ্ঞাত কারণে গ্রেফতার করছে না পুলিশ।
আওয়ামী হায়না সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই ফ্যাসিস্ট ছানা মান্নান লক্ষীপুরের নবীগঞ্জ বাজার, রসুলগন্জ বাজারসহ সরকারি সকল অফিসে ক্ষমতা এবং দলীয় পদ পদবির প্রভাব খাটিয়ে টেন্ডার বাজি, চাঁদা বাজির মাধ্যমে অঢেল সম্পত্তি ও অবৈধ অর্থবৃুত্তের মালিক হয়েছেন। পদবি ধারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে দেখে ফ্যাসিস্ট বিরোধী সাধারণ মানুষ মনে করছে ছানা মান্নান তার অবৈধ অর্থকে কাজে লাগিয়ে গোপনে লক্ষীপুর এর পতিত আওয়ামী লীগকে পুনরায় সক্রিয় করার ষড়যন্ত্র করছে। ইতিপূর্বে লক্ষীপুর সদর থানা পুলিশ পতিত আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির বেশ কিছু নিচু সারীর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও ইউনিয়ন লীগের নেতাদের গ্রেফতার করলেও জেলা কমিটির ১ম সারীর এ নেতাকে গ্রেফতার করেনি।গ্রেফতার না করায় তার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও সাধারণ জনগণকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করে অর্থ দাবী আদায় করে।
এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাঘব বোয়ালদের না ধরে চুনি পুটি ধরার বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক নেতিবাচক মন্তব্য করেছে ফ্যাসিস্ট বিরোধী সাধারণ মানুষ।লক্ষীপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি ছানা মান্নান এর উপর অতিষ্ঠ বন্দর বাসী তার বিভিন্ন জোরপূর্বক কর্মকান্ডে।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে দুই হাজার শহীদ ও ৩০ হাজার আহত ছাত্র জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে ৫ই আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে এ দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। দেশের মানুষ অধিরআগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে বর্তমান সরকার সারাদেশের আওয়ামী প্রেতাত্মাদের আইনের আওতায় এনে তাদের অপকর্মের বিচার করবে। অথচ এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা ছানা মান্নান অজ্ঞাত কারণে গ্রেফতার করছে না পুলিশ।বন্দর বাসীর অনুরোধ দ্রুত তাকে যেন গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে।