
রুদ্রবার্তা রিপোর্ট: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগ। আর মাত্র ৩ দিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮ কোটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ নির্বাচন। আগামী নির্বাচনকে সফল করতে দেশের জনগণ সরকারকে সকল প্রকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত সেই সাথে এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে। প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জ ফতুলা বিসিক শিল্পনগরী হওয়ায় এই আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে আসনটি ঘিরে চলছে নানা গুঞ্জন। এই আসনে কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী থাকলেও জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে আছেন বিএনপির সাবেক নেতা ও শিল্পপতি শাহ আলম।
ফতুল্লা এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হরিণ প্রতীক জনপ্রিয়তায় ও গণজোয়ারে ভাসছে ফতুল্লা-৪ আসন। তিনি ত্রয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিশ্চিত জয়ের লক্ষ্যে শতভাগ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। গুঞ্জন নয়—নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আশাবাদী, শত গুঞ্জন পেরিয়ে সাধারণ ভোটারদের ভোটে আগামীর নির্বাচনে তিনি জয়ী হবেন। ২০০৮ সালে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছিলেন। ঐ নির্বাচনে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার তাকে ২১৮০ ভোটের ব্যবধান দেখিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কবরী সারোয়ারকে জয়ী ঘোষণা করে। ভোটের হিসাব অনুযায়ী এক জরিপে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থীর নিশ্চিত জয়। সবকিছু মিলিয়ে মোঃ শাহ আলম জয়ী হলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।
সে সময় নির্বাচনি প্রধান দায়িত্বে ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম। তিনি নির্বাচন কমিশনে শতবার চ্যালেঞ্জ করেও শাহ আলমের জয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি।
কালের বিবর্তনে ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও শিল্পপতি শাহ আলমের জনপ্রিয়তা কমেনি। তাই তিনি নিশ্চিত জয়ের লক্ষ্যে এবার লড়াইয়ে নেমেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শাহ আলমের জয়কে কেউ পরাজিত করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানাধীন এলাকার ভোটার ও শাহ আলমের সমর্থকরা।
ভোটাররা বলছেন,
“প্রতিদ্বন্দ্বী যেই হোক, ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ের মালা পরিয়ে আমাদের নেতা শাহ আলমকে জনগণের খেদমতে সংসদে পাঠাবো—ইনশাআল্লাহ।”