সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
যৌতুক মামলার আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ, অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্যারাগুয়ের জালে ৪ গোল, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র এক মঞ্চে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলন বন্দরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মহানবী কেন ‘মাদায়েনে সালেহ’ দেখতে নিষেধ করেছেন? বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভা অনুষ্ঠিত রেকর্ড ব্যয়: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে বিশ্বজুড়ে খরচ ১১৯ বিলিয়ন ডলার, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে মোঃ মামুন হোসেনের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ “জীবনের বর্ণিল ক্যানভাস”

শরীয়তপুরের ঐতিহ্য রুদ্রকর মঠ

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭.৫০ এএম
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর এলাকায় ১৫০ ফুট উঁচু একটি মঠ রয়েছে। ৩৫৩ বছরের পুরোনো ওই মঠ কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পর্যটকেরা মঠটি দেখতে আসেন। কিন্তু মঠের কাছে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। সংস্কারের অভাবে মঠটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী মঠে যাওয়ার জন্য রাস্তা নির্মাণ এবং মঠটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

১৬৭০ সালের দিকে মঠটি নির্মাণ করা হয়। মঠটি ইট ও পাথর দিয়ে নির্মাণ করা হয়। পালং এলাকার রাজমিস্ত্রি তিলক ভূঁইয়া ও গুরুচরণ ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে এটি নির্মাণ করেন।
শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর এলাকায় ষোলো শতকের দিকে বাস করতেন নীলমনি চক্রবর্তী নামের এক জমিদার। তাঁর মৃত্যুর পর ১৬৭০ সালের দিকে তাঁর তিন সন্তান বানিলাল চক্রবর্তী, ক্ষিতিলাল চক্রবর্তী ও বসন্তলাল চক্রবর্তী বাবার স্মৃতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সমাধির ওপর একটি মঠ নির্মাণ করেন। মঠটি ইট ও পাথর দিয়ে নির্মাণ করা হয়। পালং এলাকার রাজমিস্ত্রি তিলক ভূঁইয়া ও গুরুচরণ ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে এটি নির্মাণ করেন।

প্রাচীন ওই মঠের কিছু অংশ নষ্ট হয়ে গেলে ১৮৮৯ সালে চক্রবর্তী পরিবারের সন্তান গুরুচরণ চক্রবর্তী এটি পুনর্নির্মাণ করেন। পরে মঠটিতে কালীমন্দির স্থাপন করে পূজা-অর্চনা করা হতো। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মঠটির কালীমন্দিরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে কালীপূজা হতো। ওই মঠের পাশের ৩ একর ৭৩ শতাংশ জমির ওপর চক্রবর্তী পরিবার থেকে ১৯১৫ সালে জমিদার নীলমনির নামে একটি উচ্চবিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মঠটি ধ্বংস করার জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্যরা মর্টার শেল নিক্ষেপ করে। এতে মঠটির কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। ১৯৭৫ সালে নীলমনি চক্রবর্তীর বংশের বাংলাদেশে বসবাসকারী সর্বশেষ সদস্য প্রমথ লাল চক্রবর্তী ভারত চলে যান। এর পর থেকে সেখানে পূজা হয় না। সংরক্ষণের অভাবে ঐতিহ্যবাহী মঠটি এখন ধ্বংস হতে চলেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ মঠটি দেখতে রুদ্রকরে আসছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort