বন্দর(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: বন্দরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির গাড়ি চালক মামুন ও সহযোগী সাব্বিরকে গনপিটুনি শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত এ সংবাদের সত্যতা ঢাকতে অনিবন্ধিত একটি পোর্টালে বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে সিএনজি চোর জাহিদ খন্দকার । বস্তুনিষ্ঠ সত্য প্রকাশিত সংবাদে নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে এমন বক্তব্যে বিব্রত এলাকাবাসী।
কামতাল গ্রামবাসী জানান, জাহিদ খন্দকার একজন আন্তঃজেলার চিহৃিত সিএনজি চোর। চোরাই সিএনজি সহ কুমিল্লা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকায় থাকতো না জাহিদ। ৫ আগস্টের পর জাহিদ খন্দকার ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি । এ পরিচয়ে কাগজপত্র বিহীন একটি পুরাতন প্রাইভেটকারে চলাচল করে জাহিদ। গাড়ি চালক হিসাবে দেখা যায় সোনারগাঁওয়ের ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির অস্ত্রধারি সন্ত্রাসী মামুন, পাশাপাশি সহযোগী হিসাবে ল্যাংড়া জসিমের ছেলে সাব্বির। পুরাতন এ গাড়ি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক পাচার ও ছিনতাই, ডাকাতি সহ নানা অপকর্ম। গত রোববার রাতে ইস্পাহানি বাজার এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে জাহিদ খন্দকারের ব্যক্তিগত গাড়ি চালক মামুন ও সহযোগী সাব্বিরকে গনপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
পাশ্ববর্তী মালিভিটা গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে আটো চালক সবুজ বলেন, কামতাল গ্রাম থেকে একটি বস্তা ইস্পাহানি বাজার নিয়ে যাবে বলে জাহিদ খন্দকার ভাড়া করে। মদনপুর পৌঁছালে জাহিদ খন্দকার নেমে পড়েন। মামুন ও সাব্বির গাড়িতে ইস্পাহানি যায়। ইস্পাহানি রাস্তার পাশে মামুন ও সাব্বির অটো থামিয়ে রাখতে বলেন। এসময় তাদের কথাবার্তা ও চলাফেরায় সন্দেহ সৃস্টি হয়। এসময় অপর এক অটো চালককে বিষয়টি অবগত করলে মামুন ও সাব্বির আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। পরে বিস্তারিত জানার পর মামুন ও সাব্বিরকে গনপিটুনি দেয় এবং বস্তা ভর্তি অস্ত্র নিয়ে যায়। বস্তায় ছিলো ডাকাতি কাজে বয়বহৃত ধারালো রাম দা, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, ছুরি ও সুইচ গিয়ার ।