
(সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার) প্রীতম সরকার: উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের খাটরা গ্রামে শ্যাম বিশ্বাস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় যে, ভুক্তভোগীর নিকট থেকে ১ কাঠা জমির পরিপ্রেক্ষিতে বিক্রয় বাবদ ৫০০০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন তালবাহানা করে তাদেরকে চরম ভোগান্তির স্বীকারে ফেলে এবং উক্ত জমিটি অন্যত্রে বিক্রি করে দিলে তার পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদ করলে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি মারামারির সৃষ্টি হয়। এরোই ধারাবাহিকতায় আপন কাকাতো ভাই বাঁধন বিশ্বাস এর ছুরিকা ঘাতে গত ৩০.০৪.২০২৬
দুপুর একটায় শ্যাম বিশ্বাস। মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন।এমতাবস্থায় স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া নিহতের ২ ছেলে, স্ত্রী, মা,বোন সহ অন্যান্যদেরও বেদম প্রহার করেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের মা মিনি রানী বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ সহ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন ০১।বাঁধন বিশ্বাস(২০),পিতা নিখিল বিশ্বাস, ০২।নিখিল বিশ্বাস (৫২)পিং মৃত রাসমোহন বিশ্বাস, ০৩।বিকাশ বিশ্বাস (৩২) পিং মৃত ব্রজেশ্বর বিশ্বাস, ০৪।নয়নী রানী বিশ্বাস, স্বামী নিখিল বিশ্বাস তুমি ০৫।পরিমল গাইন (৪৫)পিং মৃত ইন্দ্র মোহন গাইন, ০৬।সুকুমার গাইন (৬৫)পিং মৃত সুবল চন্দ্র গাইন, ০৭।পরেশ বিশ্বাস (৫৫),পিং মৃত আকালী বিশ্বাস, সর্ব সাং খাটরা, ইউপি কাউলিবেড়া, উপজেলা ভাঙ্গা, জেলা ফরিদপুর অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জন। তন্মধ্যে এই প্রতিবেদন লেখা প্রজন্ত দুইজন গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। এরা হলেন ৩নং আসামি বিকাশ বিশ্বাস, ৫নংআসামি পরিমল বিশ্বাস। উল্লেখ্য যে দুই আসামি গ্রেপ্তারের পর থেকে বাকি আসামিগণ বিভিন্নভাবে ভুক্তভোগীদেরকে হুমকি ধামকি সহ প্রাণনাশের ভয় দেখাচ্ছেন। উক্ত ঘটনা বিচার বিশ্লেষণ পূর্বক এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।