
আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ অতি সন্নিকটে। সারাদেশে নির্বাচনি পদ প্রার্থীরা প্রতিনিয়ত নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা ও গণসসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে সকল প্রার্থী সুসৃঙ্খলভাবে তারই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনে ১৩ জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের লড়াই হবে হেভিওয়েট প্রাথীদের মাঝে।
বিএনপি মনোনীত জোটের প্রার্থী মনির হোসে কাশেমী (খেজুর গাছ ) বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী (হাতি), ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ইসমাইল কাউসার (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম (হরিণ) ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (ফুটবল) প্রতীক। সংসদীয় আসন সুত্রে জানা যায় এই ৪ জন পার্থীদের মাঝে ভোটের লড়াই হলেও বিপাকে আছেন কাশেমী। মনির হোসেন কাশেমী দেশের সর্ববৃহত দল জাতীয়তাবাদি দল বিএনপি জোটের প্রার্থী হলেও এই আসনে রয়েছেন সাবেক ২ জন বিএনপি নেতা এর মধ্যে একজন সাবেক সংসদ সদস্য ও অন্যজন জয় হয়েও পরাজিত। চায়ের টেবিলে সাধারণ ভোটরদের গুঞ্জন এই দুই প্রার্থীদের রয়েছে নিজস্ব ভোট ব্যাংক সেখানে মার্কা নয় সমর্থকরা ব্যাক্তি বিশেষ ব্যাক্তি ভোট দিবে আগামী ১২ জানুয়ারী। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর রয়েছে আলীর টেক ইউনিয়নে বিশাল ভোট ব্যাংক ও শিল্পপতি শাহআলম দখল করেছেন বাংলাদেশের সব চেয়ে বৃহৎ ইউনিয়ন কুতুব এলাকা যেখানে বাস করেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম সেন্টু। মনিরু আলম সেন্টুর নিজস্ব ভোট ব্যাংক থাকায় মনির হোসেন কাশেমী বিএনপি হতে বহিস্কৃত মনিুরুল আলাম সেন্টুকে কেন্দ্র হতে তার বহিস্কৃত সদস্য পদ প্রত্যাহারের সহযোগিতা করেন। তবে কুতুব ইউনিয়ন বাসী বলছেন ধানের শিষের পরিবর্তে খেজুর গাছ ভোট পরলেও এখানকার ভোট অনেকটাই ভাগাভাগী হতে পারে নিজস্বদের মাঝে। এদিকে হাতি ও হরিন উভয়ে জয়ের লক্ষে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ্এবং নিজ নির্বাচনি এলাকায় উভয়ে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। এরা দুইজনই আশাবাদি আগামী ১২ ফেব্রæয়ারী নিরপক্ষ ভোট ব্যালটের মাধ্যমে তারা জয়ী হবেন এমনটিও বিভিন্ন চায়ের টেবিলে গঞ্জন উঠেছে। এছারা সাবেক এমপি আলহাজ¦ গিয়াস উদ্দিনের রয়েছে ব্যাপক সমর্থক ও নিজস্ব ভোট ব্যাংক,তাকে দূর্বল ভাবাটাও বোকামী হবে বলে ধারনা করছেন ভোটারেরা। সাধারণ ভোটাররা বলছেন ফতুল্লা ৪ আসনে নির্বাচনে পাল্টে যেতে পারে নির্বাচনি সমিকরণ। এখন শুধু অপেক্ষার পালা কে হতে যাচ্ছেন ফতুল্লা আসনের কান্ডারী।