মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক হোটেল শীতলক্ষ্যা থেমে নেই শাহিনের পতিতা ও মাদক ব্যবসা, দেখার যেন কেউ নেই নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন নন্দলালপুর, কুতুবপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিলের টাকা আত্মসাৎ। তিন মাসের ভিসার ফাঁদে সৌদি প্রবাস—দালাল চক্রের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো বাংলাদেশি। দালাল চক্র বছরের হাতিয়ে নিচ্ছে প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ ইরানের সঙ্গে খুব বেশি ‘গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য’ নেই: ট্রাম্প আগামীতে হজের খরচ আরও কমানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ডিজেলের অভাবে বন্দর ঘাটে ট্রলার বন্ধের আশঙ্কা ইজারাদারের শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে পরিবর্তন সম্ভব নয়: সাখাওয়াত স্ত্রীকে নিয়ে ঈদে গ্রামে যাবার কথা রানার, বাড়ি ফিরলো লাশ অন্যায়কারী আমার দলের হলেও প্রশ্রয় দেবেন না: এমপি আল আমিন

ক্যান্সারে আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে বাবার আকুতি

  • আপডেট সময় রবিবার, ৮ মে, ২০২২, ১০.৩৩ পিএম
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

রুদ্রবার্তা২৪.নেট: আবদুল আরাফাত (৫)। ২ বছন ৮ মাস বয়সেই আক্রান্ত হয়ে পড়ে জটিল দুরারোগ্যে। প্রথমে সমস্যা দেখা দেয় চোখে। জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতলে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাক্তাররা টিউমার ক্যান্সার বলে রিপোর্ট দেয়, সেই হতে অদ্য পর্যন্ত বিভিন্ন রোগে জর্জরিত। ৮ মাস আগে অপারেশনের মাধ্যমে বাম চোখ ফেলে দেওয়া হয়। ডাক্তার বলছেন চোখের কারণে ক্যান্সার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে গেছে আরও মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আব্দুল আরাফাতের পিতা আব্দুল জলিল মিয়া (৫৩) ফতুল্লা রেল স্টেশনে চায়ের দোকানদারি করেন। সামান্য আয় থেকে ছেলের নিয়মিত চিকিৎসা করাতে পারছেন না।
এদিকে চোখের অপারেশনের পর আবদুল আরাফাতের অবস্থার আরো অবনতি ঘটে। বর্তমানে সে বিছানায় শয্যাশায়ী। উঠবস করতে পারে না, শুধু হাত দুটো লড়াতে পারে। ধীরে ধীরে তার শরীরের সকল অঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। যার কারণে প্রতিমাসে নিয়মিত কেমো থেরাপি দেওয়া হয় এবং কোভিড-১৯, লিভার, কিউনি, প্রসাব, রক্ত ও চোখের আই ফেইজ ইত্যাদি পরীক্ষা গুলি নিয়মিত করতে হয়। এছাড়াও দুই মাস পরসপর ব্রণ মেরুদন্ড টেস্ট, সিটি স্কিন ও ইসিজি বাধ্যতামূলক করাতে হয়। এসব চিকিৎসা করতে প্রতি মাসে প্রয়োজন হয় ২৫/৩০ হাজার টাকা। সামান্য আয় রোজগারী অসহায় পিতা আব্দুল জলিল এখন তার সন্তানের চিকিৎসা খরচ বহন করতে পারছে না।
তিনি বলেন, আমার ছেলেও সমাজের অন্যান্য শিশুদের মতো বাঁচতে চায়। সেও বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু আজ আমি বড় অসহায়। আমার ছেলেকে বাঁচাতে চাই। এমন অবস্থায় আমার সন্তানকে বাচাঁনোর জন্য সুচিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায্যের আবেদন করছি সকলের কাছে। বিত্তবানবার এগিয়ে এলে আমার সন্তানকে সন্তানকে বাঁচাতে পারবো বলে আমি আশাবাদী। যদি কেউ সহায়তায় এগিয়ে আসেন তাহলে নিন্ম ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন। আব্দুল জলিল মিয়া সাং- পূর্ব লালপুর, থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। মোবাইল-০১৭৯০৭০৮৭০৭।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort