
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নাসিক এর ৮ নং ওয়ার্ড এর মধ্যে অবস্থিত গোদনাইল জ্ঞানের আলো আইডিয়াল স্কুল ও জ্ঞানের আলো কোচিং সেন্টার লেখাপড়ার মান ও স্কুল এর নিয়ম শৃঙ্খলা অতি নিম্নমানের বলে জানা গেছে। জ্ঞানের আলো আইডিয়াল স্কুলের কয়েকজন অভিভাবকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে বিদ্যালয়ের স্কুল শাখায় ৬ থেকে ৭০০ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। বিদ্যালয় সহ বাহিরের চেলে- মেয়ে নিয়ে কোচিং সেন্টারে রয়েছে অসংখ্যছাত্র- ছাত্র ছাত্রী । অল্প জায়গার মধ্যে গাধা গাদি করে স্কুলের লেখাপড়া ও কোচিং সেন্টারের লেখাপড়া মিলে লেখাপড়া পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে বিশৃঙ্খল। খেলার পরিবেশ নেই। বসার আলাদা পরিবেশ নেই। স্কুলের শিক্ষক সকলে জুনিয়র / স্কুল পড়ুয়া। ছাত্র ছাত্রী দের নিকট থেকে অতিরিক্ত বেতনসহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের কথা বলে কোমলমতি ছাত্র ছাত্রী দের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এদিকে জ্ঞানের আলো আইডিয়াল স্কুলের পরিচালক এর পিতা রহিম খন্দকার একজন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। তিনি লক্ষীনারায়ন কটন মিল স্কুল এর ব্যান্ড পার্টি গ্রুপের লিডার ছিলেন। সে সুবাদে সকল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে তাদের ছিল গভীর যোগাযোগ। পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম খন্দকার আওয়ামী লীগের দোসর স্থানীয় কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা ও ১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দোসর ইফতেখার আলম খোকনের সহযোগী হিসেবে দীর্ঘ দিন যাবত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে মিলেমিশে বিএনপির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। গোদনাইল ধনকুণ্ড এলাকার একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায় জ্ঞানের আলো আইডিয়াল স্কুলের পরিচালক সাইফুল ইসলাম খন্দকার এর সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে আওয়ামী লীগের দোসর ও কমিশনার রুহুল আমিন মোল্লার। সাইফুল ইসলাম রুহুল আমিন মোল্লার বাড়িতে থেকে এলাকার সমস্ত গোপন খবর সিঙ্গাপুরে পাঠায়। এছাড়াও তার সাথে একেএম শামীম ওসমানের ক্যাডার আওয়ামী লীগের দোসর ইফতেখার আলম খোকনের সাথেও রয়েছে গোপনে যোগাযোগ। সাইফুল ইসলাম খন্দকার ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একজন অর্থ যোগানদাতা হিসাবে বিগত ষোল বছর তাদের( আওয়ামী লীগ) পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। সাইফুল এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গুরুতর অভিযোগ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাই কমান্ডে জানানো হয়েছে। তার স্কুলে সরকারি নিষেধ থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে কোচিং বাণিজ্য চলছে। আগামীকাল আওয়ামী লীগের দোসর দের ছবিসহ বিস্তারিত আসছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নাসিক ৮ নং ওয়ার্ড এর সাধারণ মানুষ জেলা শিক্ষা অফিসারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।