
এ উপলক্ষে বন্দর উপজেলার অদম্য ৩ নারীকে জয়িতা সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জয়িতারা হলেন, আনোয়ারা বেলি, কোহিনুর আক্তার শানু ও শান্তনা আক্তার শান্তাকে। ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস- ২০২৫ উপলক্ষে বন্দর ইউএনও’র সভাকক্ষে সকাল ১০ টায় সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নবাগত বন্দর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি, প্রানীসম্পদ অফিসার ডা. সরকার আশ্রাফুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পারভীন বেগম, বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবিএম জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম শাহীন, বন্দর থানা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. ফিরোজ খান, দৈনিক আজকের জন্মভূমি পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পলাশ মাহবুব ও উপজেলার বিগত দিনে জয়ীতা সম্মাননা পাওয়া নারীরা।
ইউএনও শিবানী সরকার বলেন, নারী সমাজকে যথাযোগ্য মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসে বেগম রোকেয়ার অসামান্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। আজ বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আমি এই মহীয়সী নারীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ঊনবিংশ শতাব্দীতে রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় পিছিয়ে পড়া নারীদের ভাগ্যোন্নয়নের মূল চাবিকাঠি শিক্ষা। এ উপলব্ধি থেকে বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তারে বিরাট সাহসী ভূমিকা পালন করেন। বেগম রোকেয়া নারী উন্নয়নের পথে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন, তার ধারাবাহিকতায় নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে । সময়ের সাথে নারীদের এগিয়ে যাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই।