বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
১১ হাজার ছাড়াল তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা মেরাজ : শ্রেষ্ঠ উপহার মাদরাসা শিক্ষাকে সরকার খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে : শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেল ৬৮ জন ম্যানেজার কাজল হত্যার প্রতিবাদে শহরে হোটেল রেস্তোরা বন্ধ করে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির ৫ নেতা গ্রেপ্তার, বিস্ফোরক মামলায় আদালতে প্রেরণ ফতুল্লায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১৫৩০ লিটার চোরাই ডিজেল উদ্ধার নানা আয়োজনে সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন শহরের মিশনপাড়ায় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, হামলা : গ্রেপ্তার ১ ফতুল্লায় ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকালে ছিনতাইকারী আটক, গণধোলাই

শরীয়তপুরে ৩৭% প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, সহকারী শিক্ষকেও সংকট

  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ৪.১৫ এএম
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর জেলায় প্রায় ৩৭ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে; এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের সংকট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের পড়াশোনা।

শরীয়তপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, জেলার ছয়টি উপজেলায় ৬৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৫৮টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৩৫১টি পদ শূন্য রয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৪টি, জাজিরায় ৪৩টি, নড়িয়ায় ৫৮টি, গোসাইরহাটে ৪৮টি, ডামুড্যায় ২৫টি ও ভেদরগঞ্জে ৫০টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

এই সংকটের মধ্যেও অনেক শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। তারা বলেন, শিক্ষক সংকটে এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এরশাদ উদ্দিন আহাম্মেদ সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আমরা বার বার চিঠি দিয়েছি। জেলায় ৪৫০ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্ত হলে অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট কেটে যাবে।“

সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি আবদুল হামিদ সাকিদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই দীর্ঘদিন ধরে। এখানে সহকারী শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। তারা কোনোরকমে ক্লাশ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিদ্যালয়ে প্রেষণে থাকা সহকারী শিক্ষক মইনুল ইসলাম বলেন, “দুই শিফটে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। একসঙ্গে তিনটি শ্রেণিতে পড়াতে হয়। দুজন শিক্ষক একসঙ্গে তিনটি শ্রেণিতে পড়াই। এক শ্রেণিতে কিছু সময় দিয়ে আবার অন্য শ্রেণিতে যাই।“

“এভাবেই একসঙ্গে দুটি শ্রেণির পাঠদান করাতে হিমসিম খাচ্ছি। তারপর দাপ্তরিক কাজ রয়েছে। উপজেলায় সভায় যেতে হয়। এভাবে স্কুল চালাতে গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

সদরের শৌলপাড়া আব্দুল মান্নান খান ভাসানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একজন শিক্ষক কর্মরত আছেন। অপর একজন প্রেষণে রয়েছেন।

দুজন শিক্ষক বিদ্যালয়ের ১২৫ জন শিক্ষার্থীকে কোনোমতে পাঠ দিচ্ছেন। কোনো শিক্ষক অসুস্থ হলে কিংবা দাপ্তরিক কাজে জেলা-উপজেলায় গেলে পাঠদান কার্যক্রম পুরাপুরি বন্ধ রাখতে হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com