বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মা হতে পারবেন না রাখি, তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করেন সালমান ইসরাইলে হামলা বন্ধের শর্ত দিল হিজবুল্লাহ সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে স্ত্রীর যোগসাজশে প্রশ্নফাঁস চক্রে নোমান বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিলেন শি জিনপিং ঢাকা-বেইজিং ২১টি দলিল সই এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করতে ৭টি প্রকল্প ঘোষণা বেনজীরের রূপগঞ্জের বাংলোর মালামাল জব্দ শুরু উরুগুয়েকে কাঁদিয়ে ফাইনালে কলম্বিয়া জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি সোনারগাঁয়ে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান কালামকে সংবর্ধনা বন্দরে টিকটকার সাকিবের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেললেন স্ত্রী

ফতুল্লার আকবর নগরে ফের সংর্ঘষ, টেঁটাবিদ্ধ ৮, মামলায় আসামী ৫৩

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ৩.৪২ এএম
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানের শেষ প্রান্তের ভয়ঙ্কর একটি এলাকার নাম আকবর নগর। এ এলাকার কিছু অংশ সিরাজদীখানে আর কিছু অংশ ফতুল্লায়। এতে এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল কম থাকায় প্রায় সময় প্রভাব বিস্তার নিয়ে লোমহর্ষক হতাহতের ঘটনা ঘটে। টেঁটা বিদ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত একাধীক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে আকবরনগর এলাকায়।

সর্বশেষ ৬ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টায় আবারো আকবরনগরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই গ্রুপের অন্তত ৭/৮ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে সামসুল ইসলাম নামে এক ইট খোলা ব্যবসায়ীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে টেটা দিয়ে একাধীক আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাকে উদ্ধার করতে তার চাচাতো ভাই সজিব এগিয়ে আসলে তাকেও এলোপাথারী কোপানো হয়।

এ ঘটনায় বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানায় ৩৩ জনের নাম উলে­খ করে আরো অজ্ঞাত ২০ জনের বিরুদ্ধে আহত সামসুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলার আসামীরা প্রত্যেকেই সিরাজদীখানের বাসিন্দা।

এলাকাবাসী জানান, আকবরনগর এলাকায় রহিম ও সামেদ আলী নামে দুইটি প্রভাবশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। আর এ এলাকায় রয়েছে ২০/২২টি ইট খোলা। মূলত এসব ইট খোলায় চাঁদাবাজী নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে থাকে। প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে উভয় গ্রুপের এপর্যন্ত একাধীক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের প্রভাব বিস্তার ও হত্যাকান্ডের ঘটনায় সিরাজদীখান ও ফতুল্লা থানায় একাধীক হত্যা, চাঁদাবাজীর মামলা রয়েছে।

 

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, আকবরনগর এলাকাটি দুই জেলার মাঝামাঝি হওয়ায় আমাদের এলাকা থেকে ধাওয়া করলে সন্ত্রাসীরা মুন্সিগঞ্জে চলে যায়। যার কারনে পুরো পুরি সন্ত্রাসী মুক্ত করতে পারছিনা। তবে সর্বাত্মক ভাবে চেষ্টা চলছে সন্ত্রাসীদের দমন করার।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort