
এম রহমান দিপু: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বৃহত্তর রাজবাড়ী এখন আলোচনা বিন্দু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। পদ্মা নদীর পার তথা রাজবাড়ী জেলায় রয়েছে হাজারো বাবা মায়ের রতœ যারা দেশের উচ্চ পর্যায়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে উচ্চপদে কাজ করে আসছে। রাজবাড়ীতে রাজার বাড়ী এই ইতিহাস দেশে অনেকেই অবগত আছেন কিন্তু সেই জেলায় রতœদের পরিচিতি আড়ালেই রয়ে গেছে। এবার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই রতœদের মধ্যে দুজনের নাম উঠে আসে দেশবাসীর কাছে। বিশেষ করে আলী নেওয়া খৈয়ম তিনি রাজবাড়ী ১ আসনের সাবেক এমপি ও ৩ বার মেয়রের অভিজ্ঞতা আছে। তিনি রাজবাড়ী কলেজের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন পরবর্তিতে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় হতে মাষ্টাস কমপ্লিট করেন। ছাত্র জিবন হতে তিনি রাজনীতি করতেন সেই সুবাদে রাজবাড়ী বাসীরকাছে তিনি পূর্ব থেকেই পরিচিত। অন্যদিকে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার মাছপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান, পাংশা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আরশেদ আলী-এর ছেলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর মন্ত্রী পরিষদের অংশ হিসেবে উপদেষ্টা পদে মনোনীত হয়েছেন এবং পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা লাভ করেছেন। ড. তিতুমীর বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাংশা কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উন্নয়ন ও আর্থিক অর্থনীতিতে এমএসসি এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি কার্লটন ও অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যনীতি ও ব্যবসায়ীক কূটনীতিতে সনদপ্রাপ্ত। ড. তিতুমীর রয়্যাল হলওয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি তাঁর গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উন্নয়ন অন্বেষণ’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন। এছাড়াও তিনি আইইউসিএন এশিয়ার সদস্যদের কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন এবং বাংলাদেশের আইইউসিএন জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর লেখা বই ও প্রবন্ধ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত হয়েছে। রাজবাড়ী ও পাংশাবাসী এই গৌরবময় দুই রতœ নিয়ে আজ গর্বে গর্বিত হয়েছেন। জেলাবাসী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয়রা মনে করেন এই দুই রতœ এবার বৃহত্তর রাজবাড়ীকে নতুন ভাবে ঢেলে সাজাতে সক্ষম হবে সেই সাথে তাদের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের উন্নয়ন, নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়নের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। রাজবাড়ী ও পাংশাবাসীর জন্য এটি এক নতুন গৌরবের অধ্যায়।