শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সৌদি প্রবাসী মোহাম্মদ ইমরান হাওলাদারের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ আসন্ন পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে খোকনের ঈদ শুভেচ্ছা ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নবাগত চেয়ারম্যান প্রার্থীর উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন ঈদযাত্রায় দুই মহাসড়ক পরিদর্শনে ডিসি-এসপি নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় মাঠে পুলিশ, ৬শ’ ফোর্স ট্রাফিকে: এসপি ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে: র‌্যাব অধিনায়ক ফ্যাক্টরির যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে ইতিহাস গড়লেন মানবিক ডিসি জাহিদুল ইসলাম শত্রুদের তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৫০০ সালমা বললেন ‘বংশ একটা ফ্যাক্ট’!

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চের ধাক্কায় ডোবা বাল্কহেডের ২ লস্করের লাশ উদ্ধার

  • আপডেট সময় শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১.০৫ এএম
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহি লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া বালুবাহী বাল্কহেডের নিখোঁজ দুই লস্করের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল সন্ধ্যা পৌনে পাঁচটার দিকে ইঞ্জিন রুম থেকে মরদেহ দুʼটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান বিআইডব্লিউটিএʼর সহকারী পরিচালক কামরুল হাসান।

এর আগে সকাল আনুমানিক সোয়া ছয়টার দিকে ধর্মগঞ্জ এলাকায় নোঙর করা বাল্কহেডটি ডুবে যায়।

নিহতরা হলেন: বাল্কহেডের দুই লস্কর — পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার চরগরবদীর আমির হাওলাদারের ছেলে মোহা. জহুরুল ইসলাম শাকিল (২৫) ও ঝালকাঠির রাজাপুরের মো. হাসান (২০)।

ঘটনার পর উদ্ধারকাজে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডাব্লিউটিএʼর সদস্যরা কাজ শুরু করে বলে জানান বিআইডাব্লিউটিএ কর্মকর্তা কামরুল হাসান।

তিনি বলেন, “নোঙর করা বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন তারা দুʼজন। লঞ্চের সজোরে ধাক্কায় ইঞ্জিন রুমটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ফলে সেখানে ডুবুরিরা ঢুকতে পারেনি। পরে ইঞ্জিনরুমের প্রবেশ পথ ফ্লোটিং-এক্সাভেটর দিয়ে ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে লাশ দুʼটি পাওয়া যায়।”

পাগলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আকিবুল ইসলাম বলেন, এমভি কাশফা স্নেহা নামে বাল্কহেডটি নদীতে নোঙর করা ছিল। এ সময় ঢাকামুখী সুন্দরবন-১৬ নামে একটি লঞ্চ বাল্কহেডটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয়। বাল্কহেডের তিনজন শ্রমিক-কর্মচারী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আরও দুʼজন নিখোঁজ হন।

“সকালে ঘন কুয়াশার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি”, যোগ করেন তিনি।

বাল্কহেডের চালক নান্নু মিয়া বলেন, “আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠৎ জোরে এক শব্দ হওয়ায় আমি লাফিয়ে উঠে দেখি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছি। কোনোমতে আমি কাঁচের জানালা ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারছি।”

“কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। কোনো কিছু ভাবার সময়ও পাইনি”, যোগ করেন তিনি।

দুর্ঘটনার পর নদীর পাড়ে ছুটে আসেন নিহত জহুরুলের ভাই আল-আমিন। তিনি মুঠোফোনে কোনো এক স্বজনকে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, “গেট লক হইয়া গেছিলো, খুলতে পারে নাই। ওরে ভাইরে আমার কীসের মইধ্যে গেলি তুই! তোরে তো আমরা হারাইলাম।”

ঘটনাস্থলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ধাক্কা দেবার পরই লঞ্চটি সেখান থেকে চলে যায়। কিন্তু নৌ পুলিশ পরে লঞ্চটিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

এ ঘটনায় আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ইউএনও।

গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে ফতুল্লা লঞ্চঘাট এলাকায় বোগদাদীয়া-১৩ লঞ্চের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বালুবাহি বাল্কহেড ডুবে যায়। তবে, বাল্কহেডের ৫ শ্রমিক সাঁতরে তীরে ওঠেন। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort