
রুদ্রবার্তা রিপোর্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ট নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে অনুষ্ঠিত হলো ত্রয়োদশ নির্বাচন। সারাদেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল ২১৩ টি আসন পেলেও বিএনপি বহিস্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারনেই হারিয়েছে জোট প্রাথীদের কয়েকটি আসন। বিশেষ করে ফতুল্লা ৪ আসনে বিএনপির নিজস্ব ভোট বিদ্রোহী প্রার্থীদের মাঝে ভাগাভাগি হওয়ায় এই আসনে নিশ্চিত বিজয়ী প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমীর কপাল পুড়ছে বলে জানালেন ফতুল্লাবাসী।
সুত্রে জানাযায় বিএনপির বহিস্কৃত নেতা গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ শাহ আলম এই আসনে সতন্ত্র প্রার্থী তথা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত জোট প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমীকে মনোনয়ন দিলেও নিজেদের মধ্যে বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় মনির হোাসেন কাশেমীর পরাজয় ঘটে। ষরজমিনে দেখা যায় ফতুল্লা থানা বিএনপি একটি অংশ কাজ করেছে মোহাম¥দ শাহ আলমের পক্ষে অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে কাজ করেছে বেশ কিছু নবিন প্রবিন নেতারা। সাধারণ জনগণ বলছেন এরা সকলে একত্রিত হয়ে মনির হোসেন কাশেমীর পক্ষে কাজ করলে আজ এই পরাজয় দেখতে হতো না। অন্যদিকে নবিন নেতা এনসিপির এড, আবদুল্লা আল আমিন তিনিও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চেয়েছেন সেখানে তার নিজস্ব ভোট ব্যাংকেই তিনি জয়ী হতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিএনপির নিজস্ব ভোট ব্যাংক হতে একটি জায়গায় ভোট কাষ্ট হলে এর সমিকরন পাল্টে যেতো তার অনেকটা সম্ভাবনা ছিলো বলে মনে করেন সাধারণ ভোটারেরা । ফতুল্লা বিএনপির ঘাটি এমন শ্লোগান ভোটারদের মুখে মুখে শোনাগেলেও আজ হাট বাজারে চায়ের টেবিলে গুঞ্জন উঠেছে বহিস্কৃত নেতাদের চিরতরে বহিস্কার করা হোক সেই সাথে যে সকল নেতারা বহিস্কার নেতার পক্ষে তথা হরিন ও ফুটবল নিয়ে কাজ করেছে তাদেরকেও বিএনপি থেকে বহিস্কার কারা হোক তানাহলে এরা ভবিষ্যতের দলের সাথে বেইমানি করতে একটি বারের জন্য চিন্তা করবেনা। দলের হাইকমান্ড তথা চেইন অব কমান্ড ভঙ্গকারীরা কখনো দলের স্বার্থে কাজ করেনা এরা সুবিধাবাদী এদের থেকে দল কখনো ভালো কিছু ভবিষ্যতে আশা করতে পারেনা বলে জানালেন বিএনপির রাজনৈতিক নেতারা।