
বিশেষ প্রতিনিধি : ২৪ জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন ভাবে স্বাধীন হলে দেশে নৈরাজ্য এখনও রয়েগেছে। বিশেষ করে ভুমি দুস্যুদের দরাত্ব থেমে নেই। প্রশাসনিক সুত্রে বলা হয় কাগজ যার জমি তার এই অভিযোগে ৯০ কার্যদিবসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। একথাটা সত্য হলেও ফতুল্লা এনায়েত নগর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডে পৈত্রিক ওয়ারিশান জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় দফায় দফায় ১২টি অভিযোগ দায়ের করলেও এ যাবত টনক নড়ছেনা অভিযোগের বিবাদীদের। এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামমলা চলমান। অভিযোগ ও মালা প্রত্যাহারের জন্য পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ভয় ও ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
অভিযোগের বাদি ধর্মগঞ্জ নিবাসী আবুল হোসেন মল্লিক (হোসেন মিয়া)র ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর মল্লিক-গং, মৌজা ধর্মগঞ্জ,খতিয়ান নং সি এস ১৮২.এস এ-১৮৪,আর এস ৩৩৭ নং যাহার নামজারী ও জমাভাগ ১৭৮৫ নং খতিয়ানভুক্ত। যাহার জোত ১৭৮৪ নং বটে। দাগ নং এস,এস ও এস এ ৪৩৭,আর এস ৮০২ নং দাগে জমির পরিমান ৬৫ শতাংশ। উহার কাতে ৪৮ শতাংশ তাহার কাতে চমির পরিমান ৫ শতাংশ। ঘটনার বিবরণে জানা যায় জাহাঙ্গীর গং পৈত্রিক সুত্রে উপরোক্ত জমির মালিক হলেও তারই চাচাভাই গং যথাক্রমে জয়নাল মল্লিক,শরিফ মল্লিক,শহিদুল মল্লিক,আসাদুল মল্লিক সর্ব পিতা মৃত রমজান মল্লিক। এই জমি দখল নিতে বাধা প্রয়োগ করে এমনকি তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। বিবাদী জয়নাল গং এই জমি দখল নিতে ইতি পূর্বে থানা সম্মুখে ওপেন চেলেঞ্জ করে বলেন প্রয়োজনে ২০/৩০ লাখ থানায় ঢালবো তার পরেও তোদের জমি দখল করবো। প্রথম দফায় ২০২৩ সালের শেষের দিকে এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে উক্ত অভিযোগের আলোকে বিষয়টি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয় নিঃস্পত্তির জন্য তখন ডিবি এস আই বিষয়টি দায়িত্ব নিয়ে তার ডিবি কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে তলব করিলে ডিবি তরিকুল ইসলাম বিবাদিকে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেয় উক্ত জমি জাহাঙ্গীর মল্লিক গংদের য্হাার কাগজ পত্র সম্পন্ন সঠিক আছে। এ সময় নারায়নগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবি এড.এম ওমর ফারুখ মজলিশে উপস্থিত থেকে বিষয়টি নিঃস্পত্তি করিলেও কিছু দিননিরব থাকার পর বিবাদিী গনং উক্ত জমি ৫ই আগষ্টের পর স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় দখল নেয় । এছারা তারা হামলা মামলা চাদাবাজী ও জবরদখল লক্টষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় জয়নাল গংরা। গোপন সুত্রে জানা যায় ৫ আগষ্টের পূর্বে তাদের ঘরে তিনবেলা খাবার জোটতো না সেখানে আজ তারা রাজকিয়ভাবে চলাফেরা করছে। জাহাঙ্গির মল্লিক কোন উপায়ন্তর না পেয়ে সে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একাধিক অভিযোগ করেও আজও ঝুলে আছে দখল কারীদের কবলে। বাদি ও বাদিগণ সম্পর্র্কে চাচাত ভাই তথা আত্বীয়া হলেও পারিবারিক কোন শক্রুতা ছারাই জাহাঙ্গীর গংদের জমি দখল করেছে। বাদি জাহাঙ্গীর মল্লিক তিনি এনায়েত নং ৫ নং ওয়াডের যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেও অপর দিকে বিবাদি গং বিএনপি কর্মি হয়ে দলের সাইন বোর্ড লাগিয়ে নানা অপকর্মের সাথে লিপ্ত বলে স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে। সুত্রে আরো জানাযায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যখন চারিদিকে লুটপাট হচ্ছে ঠিক তখনই পঞ্চবটি চাইনা প্রজেক্ট হতে জয়নাল গং ৭ গাড়ী রোড চুরি করে অনত্র বিক্রি করে যা এলাকাবাসী অবগত আছে। এছারা সরকারী ট্রান্সফরমার, মিটার ও পিলার চুরিসহ নানা চুরির সাথে এরা সম্পৃক্ত হয়ে দলের ভাবমুর্তি নষ্ট করছে। ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মল্লিক জানান আমি শহীদ জিয়াউর রহমানের সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাথে দীর্ঘদিন যাবত সক্রিয় রাজনীতি করে আসছি সেই সাথে দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার একজন কর্মি ও জননেতা তারেক রহমানের আস্থাভাজন কর্মি হয়ে দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমার জানামতে দলের ভাবমর্তি নষ্ট হোক এমন কোন কাজ আমি কখনো করিনাই কিন্তু তারা বিএনপির লেবাস লাগিয়ে আমার জমি দখল করেছে আমি গন্যমান্যদের অবগত করেও জমিটি বেদখল করতে অপারক যা সম্পুন্ন দুঃখ জনক। জাহাঙ্গীর মল্লিক দুঃখ প্রকাশ করে বলেন বলতে লজ্জা হয় বিবাদীগণ আমার চাচাতো ভাই অর্থাৎ আত্বীয়া সম্পর্ক বিষয়টি সমাজের মানুষ জানলেও ছি ছি করবে তার পরেও পৈত্রিক সম্পর্তি রক্ষা করা প্রত্যেক সন্তানদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর এ বিষয়ে জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষন করেন বিবাদিগণদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর সুপারিশ জানান।