
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ভারতের হায়দ্রাবাদে অবস্থিত এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব নেফ্রোলজি অ্যান্ড ইউরোলজি (এআইএনইউ)—কিডনি ও ইউরোলজি চিকিৎসায় বিশেষায়িত একটি স্বনামধন্য হাসপাতাল—বাংলাদেশের হেলথকেয়ার ফ্যাসিলিটেটর, মেডিক্যাল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সম্মানে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকার ওমনি হোটেল ইন্টারন্যাশনালে এক বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে এআইএনইউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন গ্রুপ হেড, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ফরেন রিলেশনস আলী হোসাইন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, রোগীদের চিকিৎসা-সহায়তা এবং মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে এআইএনইউ হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ইউরোলজি, ট্রান্সপ্লান্ট অ্যান্ড রোবোটিক সার্জন ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ গাউস কিডনি চিকিৎসা, কিডনি প্রতিস্থাপন এবং রোবোটিক সার্জারিতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।
তিনি রোবোটিক সার্জারির আধুনিক পদ্ধতি, চিকিৎসাক্ষেত্রে এর প্রয়োগ এবং রোগীদের জন্য সম্ভাব্য সুবিধাসমূহ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। বিশেষায়িত কিডনি ও ইউরোলজি চিকিৎসায় এআইএনইউ হাসপাতালের অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করে।
হায়দ্রাবাদভিত্তিক এআইএনইউ হাসপাতাল কিডনি, নেফ্রোলজি ও ইউরোলজি চিকিৎসায় বিশেষায়িত। ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে রোগীরা উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য এ প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা গ্রহণ করতে আসেন।
এই বিশেষ আয়োজনে বাংলাদেশের মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতের পথিকৃৎ জনাব কাউসারুল হক খান, জনাব মো. রহিম, বোটার পরিচালক শাহাদাৎ রশীদ আপন, রবিন লাল এবং টেডমেড গ্লোবাল কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ফয়সাল আলম চৌধুরী রাজু সহ স্বাস্থ্যসেবা ও মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগীদের চিকিৎসা-সহায়তা, হাসপাতাল ও হেলথকেয়ার ফ্যাসিলিটেটরদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ এবং বাংলাদেশি রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের স্বাস্থ্যসেবা খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং মেডিক্যাল ট্যুরিজম পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।