বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান করেন, কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী সেলিম হক সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ নাঃগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর সাথে বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট নাঃগঞ্জ কমিটি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বন্দর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান করেন পান্না মোল্লা সনেট ও হৃদয়’র আয়োজনে কারগিল খান’র শুভ জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত ধনিয়ায় স্বপ্ন বুনছেন শরীয়তপুরের চাষিরা শহীদ মিনার ভাঙার শাস্তি প্রতিদিন স্কুল পরিষ্কার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে বাংলাদেশ দায়বদ্ধ: প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির জনসভাকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে প্রাণ-চাঞ্চল্য ফিরেছে : মামুন মাহমুদ বন্দরে ডেভিল হান্টে যুবলীগ নেতা জুম্মান গ্রেপ্তার

জৌলুস হারিয়ে অচেনা রূপে প্রমত্তা পদ্মা

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১০.০৪ এএম
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

চার দশক আগেও কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে শোনা প্রমত্তা পদ্মার গর্জন। পদ্মার সেই যৌবন আর নেই। এই নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলের সভ্যতা ও সংস্কৃতি। বৃহত্তর রাজশাহী এবং আশপাশের এই অঞ্চলের মানুষের জীবিকারও অন্যতম আশ্রয়স্থলও ছিল এ নদী।

ভারতে নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পদ্মা হারিয়েছে সেই চিরচেনা রূপ ও জৌলুস। পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় আয়তন কমেছে অর্ধেক। কমেছে গভীরতাও। পদ্মার বুকজুড়ে এখন শুধু বালু আর বালু। ফলে অববাহিকায় কমেছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। বেড়েছে এ অঞ্চলের তাপমাত্রাও। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৭ সালের ১৬ মে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে হয় ঐতিহাসিক লংমার্চ। এদিকে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ এবং বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ। আবাসস্থল হারিয়েছে দেশীয় প্রজাতির মাছ। নেমে গেছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে দেখা দিয়েছে কৃষিজমিতে সেচ এবং খাবার পানির সংকট। পাশাপাশি পদ্মার পার দখল করে প্রভাবশালীরা তৈরি করেছেন অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা।

গবেষকরা বলছেন, বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১২৫ ফুট নিচে অবস্থান করছে। গভীর নলকূপে পানি উঠছে না। রাজশাহী এবং এর পাশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার বরেন্দ্র এলাকায় শীত শেষ না হতেই পানি শূন্যতায় চৌচির হয়ে পড়েছে খাল, বিল এবং পুকুর। খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া দেশের বৃহত্তম গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পসহ পশ্চিমের অন্যান্য সেচ প্রকল্পও হুমকির মুখে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘বায়োডাইভারসিটি অ্যান্ড কনজারভেশন গত ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১৯৮৪ সালের তুলনায় শুকনো মৌসুমে পদ্মা নদীর আয়তন কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। পানির গভীরতা কমেছে ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ। পাশাপাশি প্রবাহ কমেছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort