
আসন্ন ক্রয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জ ৫টি আসনেই জমে উঠেছে নির্বাচনি প্রচার প্রচারনা গনসংযোগ। আগামী নির্বাচনকে সফল করতে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
প্র্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জ ফতুলা শিল্প নগরী তথা ৪ আসন ঘীরে চলছে নানা গুঞ্জন। এই আসনটিতে বিএনপি মনোনীত মনির হোসেন কাশেমী খেজুর গাছ প্রতিকে লড়বেন এছারা অন্যন্য প্রাথীদের মধ্যে হাতি মার্কা মোহাম্মদ আলী ও সতন্ত্র প্রাথী ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হরিন মার্কা নিয়ে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্ডিতা করবেন শিল্পতি শাহ আলম। ফতুল্লা এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় হরিন মার্কা গনজোয়ারে ভাসছে ফতুল্লা ৪ আসন। তিনি ক্রয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়ের লক্ষে শতভাগ প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন। গুঞ্জন নয় তিনি তার লক্ষে পৌছেতে নেতাকর্মি ও সাধারণ ভোটারদের সাথে নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ড ইউনিয়ন গনসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আশাবাদি শত গুঞ্জন পেরিয়ে সাধঅরণ ভোটরদেও ভোটে আগামীর নির্বাচনে জয়ী হবেন। ২০০৮ সালে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছিলেন ঐ নির্বাচনে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার তাকে ২১৮০ ভোটের ব্যবধান দেখিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী কবরি সারোয়ারকে জয়ী করেন। ভোটের হিসাব অনুযায়ী এক জরিপে দেখা যায় বিএনপি প্রার্থীর নিশ্চিত জয় সেই সাথে মোঃ শাহ আলমের জনপ্রিয়তা সব কিছু মিলেই তিনি জয়ী হলেও ভার্গের নির্মম পরিহাসে তাকে নিয়ে যায় পরাজয়ের দিকে। এ সময় নির্বাচনি প্রধান দায়িত্বে ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম তিনি নির্বাচন কমিশনে শতবার চ্যালেঞ্জ করেও জয় ছিনিয়ে আনতে পারেনি শাহ আলমের। কালের বিবর্তন তথা ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কমেনি শিল্পপতি শাহআলমের জনপ্রিয়তা তাই তিনি জয়ের লক্ষে এবার লড়েচড়ে বসেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন শাহ আলমের জয়কে কেউ পরাজিত করতে পারবেনা বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানাধীন এলাকার শাহ আলম সমর্থকরা। ভোটাররা বলছেন প্রতিদ্ব›িদ্ব যেই হোক ক্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ের মালা পরিয়ে আমাদের নেতা শাহ আলমকে সংসদে পাঠাবো ইনশাআল্লাহ।