রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
লিটনের ফিফটিতে বড় জয় বাংলাদেশের রাশিয়া-চীন সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে: পুতিন আইসিইউ থেকে নুরকে নেওয়া হতে পারে কেবিনে রূপগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র ও যুবকের লাশ উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭ ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু লৌহজংয়ে অবৈধ ড্রেজার কারবারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কড়া অভিযান: লাখ টাকা জরিমানা, ৪ জনের কারাদণ্ড কোলা ইউনিয়নে শহীদ জিয়া স্মৃতি চাইনিজ বার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী পরিবার সামলাতে না পারলেও এবার সোনারগাঁও সামলানোর দায়িত্ব নিতে চান হেফাজতের মাওলানা শাহজাহান শিবলী খাটরা গ্রামের সস্তা উন্নয়নে জড়িত কারা !

খাটরা গ্রামের সস্তা উন্নয়নে জড়িত কারা !

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১১.১৫ এএম
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়ন এর আলোচনা দিন দিন নিত্য নতুন বিষয় সামনে নিয়ে আসছে।আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।তার আংশিক কিছু আমরা আজ তুলে ধরবো এবং এই বিষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে আরও তথ্য উপাত্ত সহ বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য আমাদের আপ্রান প্রচেষ্টা থাকবে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়,এলজিআরডির সস্তা উন্নয়নের জোয়ার বইছে কাউলিবেড়া, ইউনিয়ন এর খাটরা গ্রামে।তৈরি হওয়া রাস্তার কাজের মান অত্যন্ত নিন্মমানের।অপ্রয়োজনে সরকারি কোটি কোটি টাকা অপচয় করে তৈরি হয়েছে কালভার্টে।যার কোন প্রয়োজন এই মূহুর্তে ছিলো না।সরজমিনে দেখা যায় ঠিকাদারের কাজও অত্যন্ত নিন্মমানের যা এখন চলমান এবং বলা বহুল্য কাজটি দরপত্র কোটেশন অনুযায়ী হচ্ছে বলে আপতত দৃষ্টি আমাদের মনে হয় নাই।ঐ কাজের তদারকি করছে গ্রামে থাকা এলজিআরডি কর্সমরত সফিউর বাচ্চুর ভাই ।শোনা যায় তার প্রভাবেই গ্রামে অনেক কাজ এসেছে,কিন্তু যে কাজ হয়েছে তা মান সম্মত নয়।
এলজিআরডি সস্তা উন্নয়নের অনুসন্ধানের পাশে আরও কয়েকটি চরিত্র ও একটি ভূক্তোভূগি পরিবারের কথাও উঠে আসবে।কারন খাটরা গ্রামে এলজিআরডিতে কর্মরত সফিউর বাচ্চুদের কথায় অনেক কিছু আবর্তিত হয়।তাদের দু/চারজনের কথার বাইরে যাওয়ার সাহস কেউ রাখেন না।এ যেন এক মিনি মাফিয়া ভিলেজ।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ এর মসজিদ কমিটি নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে আমরা জানতে পারি মূলত পর্দার আড়ালে থেকে যে দু’চার জনের ইশারায় ঐ কমিটি পরিচালিত হয় তাদেরই একজন প্রভাবশালী সদস্য এই গ্রামের বাসিন্দা এলজিআরডিতে কর্মরত এই সফিউর রহমান বাচ্চু মুন্সি, পিতা মজিদ মুন্সি।
অন্যজন আমেরিকা প্রবাসী সেলিম মুন্সি ও গ্রামে বসবাসরত তার ভাই শহীদ মুন্সি,পিতা খালেক মুন্সি ।
আছেন এক ব্যবসায়ীও, তিনি গ্রামে ইসলাম নামে পরিচিত।

সরজমিনে বাচ্চু মুন্সি ও সেলিম মুন্সি দুজনের কথার বাইরে কোন উন্নয়নের গল্প হয় না।আর এই উন্নয়ন গল্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন আহমদ মিয়া,মাসুদ মিয়া ও দালাল ওমর আলি।অন্য সদস্য যারা আছেন তারা নামে মাত্র।মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মাসুদ মিয়া টাকা পয়সা লেনদেন ও ব্যাংক সহ হিসাব নিকাশ দেখেন ।আহমদ মিয়া তাদের কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করে উপরে রিপোর্ট প্রদান করেন,তিনি নামে সভাপতি হলেও কাজ চৌকিদারির।আর যারা পদপদবি পেয়েছেন তাদের মতামতের তেমন কোন মূল্য নেই ।

আওয়ামী দোষর বাচ্চু মুন্সির সরাসরি তত্ত্বাবধানে ঘটেছে উন্নয়নের নামে ব্যাপক অনিয়ম।প্রজেক্টের নামে অলি-গলি কোন কিছুই তিনি বাদ দেননি।রাস্তা-ঘাটের দরপত্রের কোটেশন অনুযায়ী সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে গ্রামবাসীও মনে করে না।বর্তমানে যে ঠিকাদার কাজ করছে তার কাজের মানও অত্যন্ত নিন্ম।আমরা জানতে পেরেছি কাজের মান অনুযায়ী বরাদ্দ বেশি হওয়ায় ঠিকাদারকে তটস্থ থাকতে হয় বিভিন্ন ফুট ফরমায়েশ পালনে।অনেকের যন্ত্রণায় ঠিকাদাররা অতিষ্ঠও হয়েছেন।
বিগত সতের বছর আওয়ামী কানেকশনে তিনি তার ক্ষমতাকে অপব্যবহার করেছেন ইচ্ছে মতো।কাউকেই তোয়াক্কা করেন নাই।খাটরা গ্রাম ছাড়াও আর অন্য যেসব জায়গায় কাজ যা হয়েছে বা প্রভাব খাটিয়ে করিয়েছেন তা একান্তই বাচ্চু মুন্সির নিজস্ব ইচ্ছায় হয়েছে।সেখনে বাচ্চুর সিদ্ধান্ত ছিল চূড়ান্ত।কাজ আনা,কাজ পাইয়ে দেওয়া সহ অনেক কিছুই বাচ্চু মুন্সি নিয়ন্ত্রণ করতো এবং এখনো করছে।গ্রামে অনেক কিছুই রটে তার সব কিছু কি সত্য ? আমাদের মনে হয়েছে যাহা কিছু রটেছে তাহা কিছুটা হলেও তো বটেই ।এলজিআরডি এই কর্তা উন্নয়নের নামে কত জায়গায় ঠিকাদারদের মাধ্যমে তার হাত প্রশস্ত করেছেন তা হয়ত আমাদের অনেকেরই অজানা।সঠিক তদন্ত হলে ঐ কর্তার কান্ডকীর্তি গল্পকেও হার মানাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।গ্রামকে ভালোবেসে তিনি গ্রামের উন্নয়ন করিয়েছেন তা আমাদের বিশ্বাস করতে অনেক কষ্ট হয়েছে।এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের অনেক অনেক প্রশ্ন? কারন বিনা লোভ আর লাভ ছাড়া এখন অনেকেই কলম চালাতে চায় না আর চালায়ও না।বর্তমান সময়ে নি:স্বার্থ মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর।ফরিদপুরের কাউলিবেড়া ইউনিয়ন ছাড়াও তার তত্বাবধানে ও সম্পৃক্ততায় যত কাজ হয়েছে সবগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি ।

আপনাদের প্রথমেই বলেছিলাম এলজিআরডি সস্তা উন্নয়নের অনুসন্ধানের মাঝে দু’চার ব্যক্তি চরিত্রের এখানে দেখা মিলবে।যারা এই গ্রামের সস্তা উন্নয়নের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।আর এই দ্বিতীয় ব্যক্তিটি হলো আমেরিকা প্রবাসী সেলিম মুন্সি।খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ তাদের উদ্যোগে তৈরি। তারা বেশির ভাগ সময় ঢাকায় থাকেন।মাঝে মধ্যে আমেরিকায় মেয়ের কাছে যান থেকে আসেন।ঢাকায় তার বাড়ি আছে।আছে প্রচুর অর্থ কড়ি। অনেকের মতে তিনি হয়ত মসজিদ এর নামে আমেরিকা থেকেও কিছু কালেকশন করে নিয়ে আসেন।কিন্তু এর স্বপক্ষে শক্ত প্রমান গ্রামবাসী দিতে পারেনি।যেহেতু তিনি প্রায়ই আমেরিকা যাতায়াত করেন, তাই দুতাবাসে বিষয়টি জানিয়ে আবেদন জানালে হয়ত একটা তদন্ত হতে পারে।
উন্নয়নের ভাঙাচোরা আলোচনার মাঝেই আমরা দূতাবাসের আশায় বসে না থেকে ঐ সুচতুর ব্যক্তির কিছু কর্মকান্ড দিয়ে তাকে দেখার চেষ্টা করি কারন এলজিআরডির উন্নয়ন অনুসন্ধানে তিনিও নাল জমিতে প্রাচীর হয়ে দাড়িয়ে আছেন – ২০০১ সালে ইউনুস মাতুব্বর এর কাছ থেকে বাদশা ওরফে রশিদের বৈমাত্রেয় বোনের ওয়ারিশ হকের যথাযথ কোন সমাধান তিনি না দিয়ে,মাত্র ৫০০০ টাকা বিনিময় মূল্য দিয়ে ইউনুস মাতুব্বরকে দিয়ে অর্পণ করান।আমরা উদ্ধারকৃত বেশ কিছু কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখতে পাই রশিদ ওরফে বাদশার বৈমাত্রেয় বোনের ওয়ারিশ হকের কোন সমাধান না করেই ইউনুস মাতুব্বর কে দিয়ে জমিটি অর্পণ করিয়ে নেন সেলিম মুন্সি।অর্পণনামায় সেলিম মুন্সি একজন সনাক্তকারী ছিলেন কিন্তু তিনিই বিনিময় মূল্য ৫০০০ টাকা পরিশোধকারীও ছিলেন।

এই অর্পন নামক দান নাটকের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন কিছু,জমিতে পার্টনার বা দানকারী সেজে কবরস্থানের নামে দখলকৃত নাল জমিতে নিজের নাম লেখানো। অর্পনের বিনিময়ে মূল্য প্রদান করলেও বাদশা মিয়া বা ইউনুস মাতুব্বরদের থেকে ওয়ারিশ এর বিষয়ে সেলিম- বাচ্চুগংরা কোন ফয়সাল নেননি বা দেননি ।সেলিম মুন্সিরা স্বার্থ ভালো বোঝে।
দানবীর হওয়ার লোভে তারা এতোই বিভোর হয়েছিলেন যে এই জটিলতার বিষয়টি তারা ২৫ বছর কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করেছিলেন।গ্রামবাসীর সামনে পর্যন্ত বিষয়টি আসতে দেননি।এই সেলিম মুন্সি একজন মুখোশধারী লোক,দানবীর সাজতে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন কপটতার।বিগত পচিশ বছর তারা বিষয়টি গ্রামবাসীর কাছে ধামা চাপা দিয়ে বসে আছেন।
আমাদের প্রতিবেদন সস্তা উন্নয়নের ফাদে সরকারের এলজিআরডি টাকায় নাল জমিতে বাচ্চু গংরা মাটি ভরাট ও প্রাচীর নির্মাণ করে,আমরা সেই ভূক্তোভূগি পরিবারের সদস্য ফয়সাল রাজুর কাছে সরাসরি বিষয়টি বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো।

ফয়সাল রাজু এই প্রতিবেদকে জানান,অসংগতির স্পষ্টত প্রমান আছেই।এলজিআরডি সফিউর বাচ্চুর জন্য আজ আমাদের ন্যায্য হকের প্রাপ্য ৮.৮ শতক জমি প্রাচীর ঘেরায় আবদ্ধ।পারলে সম্পূর্ণ গ্রামই প্রাচীর দিয়ে আবদ্ধ করে দিতো।আপনি কাগজ দেখেন,এসএ/আরএস পর্চা ধরে অনুসন্ধান করলে দেখবেন অর্পণ বা ওয়াকফ করা জমিতে আছমতির অংশ আজকে পর্যন্ত বর্তমান।এটা কেন?এটা কি মাফিয়া ভিলেজে নাকি ?এলজিআরডি প্রভাব খাটিয়ে তিনি বা তারা যা খুশি তাই করবেন? ওয়ারিশ হক বর্তমান রেখে গায়ের জোরে অন্যকে দিয়ে দান করাবেন। মসজিদ – কবরস্হানে কারো অংশ বর্তমান রেখে দান হয় কিনা তা আমার জানা নেই,এর উত্তর মুন্সি বাচ্চু- সেলিমরা দিতে পারবে।এই যে দেখেন ,বিএস পর্চা,এটাও তো সঠিক তাই আমরা আমাদের ন্যায্য ৮.৮ শতক জমি ফেরত চাইছি যা তারা, বাচ্চুর এলজিআরডির সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহার করে প্রাচীর তুলে রেখেছে ।আমরা আমাদের ৮.৮ শতক জমি ফেরত পেলে গ্রামবাসীর কল্যাণে যদি কিছু করতে হয় তা আমরা করার চেষ্টা করবো।
আমাদের প্রশ্ন ছিল- এসএ/আরএস পর্চা এবং বিএস পর্চা নিয়ে কেন এই অবস্থা ?
ফয়সাল রাজু বলেন, খাটরা গ্রামের বাচ্চু – সেলিম – ওমর আলির কাছে আমার প্রশ্ন এসএ/আরএস পর্চা অনুযায়ী ২০০১ ও ২০০৩ সালে সম্পাদিত অর্পণ ও ওয়াকফ নামার নামজারি করান নাই কেন আপনারা ?
সরকারি প্রভাব খাটিয়ে এলজিআরডির এত সস্তা উন্নয়ন করলেন, রাস্তা করলেন,কালভার্ট করলেন,মাটি ভরাট করালেন, প্রাচীর তুললেন কিন্তু ভূমি অফিসে এলজিআরডি প্রভাব খাটালেন না কেন বাচ্চু – সেলিম গংরা?
দেখেন এলজিআরডির বাচ্চু – আমেরিকার সেলিমদের কথা ধরেও যদিও আপনি অনুসন্ধান চালান দেখবেন, এস এ/ আর এস পর্চা অনুযায়ী রহিমুন্নেচ্ছার একমাত্র কন্যা আছমতির ৩৩.৩৩% হক বা অংশ কোন প্রক্রিয়ায় অনুসরণ না করে অর্পণ বা ওয়াকফ করানো হয়েছে।সেলিম গংরা ঠিক কোন প্রক্রিয়াই অনুসরণ করে নাই অর্পন নামাটি সম্পন্ন করতে ।ওয়ারিশ সনদ কোথায়? বন্টন নামা কোথায় ?ইউনুস মাতুব্বর থেকে যখন অর্পণ করালেন কেন তারা ওয়ারিশ এর না- দাবি নেন নাই ?এলজিআরডি প্রভাব খাটনো বাচ্চু আর সেলিমকে এর জবাব দিতে হবে।প্রয়োজনীয় দলিলাদি আপনাদের অবশ্যই দাখিল করতে হবে।আপনারা অনিয়ম,দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা,শঠতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আছেন।
ভূমির দালাল ওমর আলিকেও ঠিক একই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সনাক্তকারী হিসেবে।
ফয়সাল রাজু বলেন একটা বিষয় না বললেই নয়,বাদশা মিয়ার নিজের স্বাক্ষরিত ১৯৮৮ সালের লিখিত এক স্ট্যাটম্যান্টে থেকে একটা বিষয় পরিস্কার ভাবে জানা যায় ১৯৬৮ সালে চৌধুরী এম এ হামিদ তার সহদোরা বোন ও বৈমাত্রেয় ভ্রাতার সাথে আপোষ বন্টন সম্পন করেছিলেন ।সেই সূত্রে আমি বলবো বিএস পর্চা সম্পূর্ণ সঠিক।সাংবাদিক হিসেবে আপনাদের হয়ত প্রশ্ন থাকতেই পারে তাহলো ,সেলিম মুন্সিরা এসএ/আরএস অনুযায়ী পারিবারিক বন্টন ছাড়া দান ও ওয়াকফ কিভাবে সম্পন্ন করালেন? ঐ সময়ের কথা জীবিত থাকলে মৃত বাদশা ওরফে রশিদ ভালো বলতে পারতেন বন্টন নামার ভাগ্যে কি ঘটেছে ? কারা কি ঘটিয়েছে ? এখন এর উত্তর ভালো দিতে পারবেন সেলিম – বাচ্চু মুন্সি গংরা ।আবার ফিরোজ গংদের কাছেও বন্টন নামা থাকতে পারে।
আবার এমনও হতে পারে সেলিম মুন্সিরাই উদ্দেশ্য মূলক ভাবে বন্টন কাগজটি বাদশা মিয়াকে দিয়ে সরিয়ে ফেলেছিল হয়ত?

ফয়সাল রাজু আরও বলেন এলজিআরডি সস্তা উন্নয়নের ফাদে সেলিম – বাচ্চুদের উদ্দেশ্য সৎ হলে, তার ২০০১ ও ২০০৩ সালের ঘটনা রহিমুন্নেচ্ছার কন্যা আছমতি ((মৃত ২০১২) এবং আছমতির বৈমাত্রেয় ভাই রশিদ ওরফে বাদশা (মৃত ২০১৫ পরে) জীবিত ছিলেন।চৌধুরী এম এ হামিদ এর প্রথম স্ত্রী’র প্রথম পুত্র শাহ আলম চৌধুরী কহিনূরও জীবিত (মৃত ২০০৭) ছিলেন । কেন এবং কি কারনে সেলিম – বাচ্চু গংরা আছমতি,বাদশা,শাহ আলম জীবিত থাকা অবস্থায় বিষয়টি সমাধান করায়নি ? নিশ্চয়ই কারোও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা না।

এলজিআরডি সস্তা উন্নয়ন খাটরা গ্রামে এসে এমন ভাবে মুখ থুবড়ে পরবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারে নাই।সেলিম আর এলজিআরডি বাচ্চুদের হীনমন্যতার কারনে বিষয়টি আজ পচিশ বছর ধরে জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করেছে।

আমি ফয়সাল রাজু, এলজিআরডি বাচ্চু মুন্সিকে বলতে চাই সরকারি অফিসের দম্ভ অহমিকা সাময়িক।আমি গ্রামবাসীর কাছে বিনীত প্রশ্ন রাখতে চাই – এই জটিলতার দায় কার? আমার অবস্থান পরিস্কার এবং দিনের আলোর মতো ফর্সা ।
কোন রক্ত চক্ষু আমাকে আমার অবস্থান থেকে টলাতে পারবেনা।

আমি স্পষ্ট করে বলে চাই,সেলিম – বাচ্চু দুজনেই বিষয়টি বুঝতে পেরে তা আর আছমতি,বাদশা ও শাহ আলম জীবিত থাকা অবস্থায় উথাপন না করে,গোপন করে যায়।সমাধানের কোন উদ্যোগ তারা নেয় নাই।
সাংবাদিক ভাইয়ের কাছে আমার প্রশ্ন একটা কবরস্হানের নামে নামজারি করাতে কত বছর লাগে ? ২৫ বছর?
কাগজ পত্র ত্রুটিপূর্ণ বলেই এলজিআরডি দম্ভ ভূমি অফিস চলে নাই ।ভূমি অফিস তাদের অসৎ উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে আবেদনই গ্রহন করেন নাই। তাদের দানবীর হওয়ার স্বপ্ন ও স্বাধ মুহূর্তে চুরমার হয়ে যায়।তাইতো তারা বিষয়টি সমাধানে না এসে গোপন করে রাখেন দুই যুগ।এই জটিলতার সম্পূর্ণ দায় একমাত্র সেলিম, বাচ্চু,মাসুদ,ওমর আলি ও আহমদ মিয়াদের।

আমি ফয়সাল রাজু সাংবাদিক ভাইদের উদ্দেশ্য বলতে চাই,এলজিআরডি বাচ্চু পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ বন্ধের জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে অনুরোধ জানিয়েছিল, আমার বুঝতে অসুবিধা হয়নি তার ভিতরে বিশাল ঘাপলা আছে,লেখা লেখি হলে বিষয়টি বের হয়ে জনসম্মুখে চলে আসবে।

বাচ্চু – সেলিম গংরা জানেই নাই দানবীর হতে হয় নিজের উপার্জনের টাকায়।তাইতো আল্লাহ সর্বশক্তিমান এলজিআরডি বাচ্চু- সেলিম গংদের চক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থ করে দিয়েছেন।এলজিআরডির সস্তা উন্নয়নের ফাদে দানবীর হওয়া যায় না।
চৌধুরী এম এ হামিদের লিল্লা আল্লাহ স্বয়ং হেফাজত করেছেন।এলজিআরডি বাচ্চু আর আমেরিকার সেলিম জীবনেও কল্পনা করে নাই চৌধুরী এম এ হামিদ এর পরিবারের সদস্য কহিনূর এর ছেলে ফয়সাল রাজু এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে!

বাচ্চু ও সেলিম তোমাদের নাম ধরে সম্মোধন করেই বলছি, তোমরা তোমাদের ত্রুটিপূর্ণ কাগজ দিয়ে নাল জমিকে কবরস্হান এর নামে নামজারি করাতে আর পারবা না।
তোমরা চৌধুরী এম এ হামিদ এর মতো দানবীর এ জীবনে আর কোনদিন হতে পারবে না।চৌধুরী এম এ হামিদের লিল্লাহ আল্লাহ স্বয়ং সেলিম – বাচ্চু মুন্সিদের মতো চক্রান্তকারীদের হাত থেকে রক্ষা করেছেন।আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি।
খাটরা গ্রামের চৌধুরী এম এ হামিদ ছিলেন তৎকালীন আমলের সুশিক্ষায় শিক্ষিত পিতা-মাতার মুখ উজ্জ্বল করা একমাত্র ব্যক্তিত্ব।গ্রামের মানুষের দু:খ দুর্দশা লাঘবে তিনি ছিলেন সোচ্চার ।মানুষের কল্যাণে তিনি ছিলেন নিবেদিত।
অথচ ঐ সেলিম – বাচ্চুরা চৌধুরী এম এ হামিদের অর্জনকে ধুলো ময়লা ঢেকে দিতে চায় ওমর আলি ও আহমদ মিয়াদের সহযোগীতা নিয়ে।
গ্রামবাসীর কাছে ফয়সাল রাজু প্রশ্ন রাখেন,ওয়ারিশ বন্টন ছাড়া অন্যের হক দান বা অর্পণ করার অধিকার ইসলাম কি সেলিম – বাচ্চু বা ইউনুস মাতুব্বরদের দিয়েছে ?
কেন চৌধুরী এম এ হামিদের নাম তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মুছে দিতে চায়।
আমরা আজও বুঝতে পারি নাই দাতার নাম প্রকাশ করতে কেন সেলিম মুন্সিদের আপত্তি?

নীতি নৈতিকতা ভালো হলে ঠিক তার বিশ গজ সামনে আরেকটা মসজিদ তৈরি হতো না।এই ধরনের হঠকারিতার জন্যই ছোট্ট গ্রাম আজ কয়েক ভাগে বিভক্ত ।
যে বা যারা প্রতিবেশীর হক নষ্ট করে, আমানত খিয়ানত করে, প্রতিবেশীর সাথে সুসম্পর্ক রাখেনা তারা স্পষ্টতই ভূল পথে আছে।
আরও আছে আহমদ মিয়া ও মাসুদ মিয়া পরিচালিত ব্যাংকের বিগত বছর গুলোর হিসেবের স্ট্যাটম্যান্ট পরীক্ষা করলে অনেক প্রশ্নের উত্তর বের হয় আসবে।এলজিআরডি সস্তা উন্নয়নের প্রাচীরের টাকা কোন একাউন্ট এসেছে ? কিভাবে এসেছে তার সঠিক তথ্যও উদঘাটন করা হবে।এলজিআরডি উন্নয়ন হয়ত সস্তা টাকা কিন্তু সরকারের।
ভূক্তোভূগি পরিবারের সদস্য ফয়সাল রাজু আরও বলেন,আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাবে সরকারি প্রভাব খাটনো বাচ্চুকে বলতে চাই আপনার গন্ডি হয়ত এলজিআরডি লেভেল – ৩ এর নির্দিষ্ট সীমানা পর্যন্ত না হয় আর একটু বেশি।কিন্তু সরকারি প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করে বেশি দূর যাওয়া যায় না ।সাংবাদিক ভাইদের আমি অনুরোধ জানাবো আওয়ামী লীগ এর ১৭ বছরে ফল খাওয়া এই সফিউর বাচ্চুর বিষয়ে অনুসন্ধান চালাতে আপনরা এলজিআরডির কর্তা মহোদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।আমি ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের কাছে বাচ্চু -সেলিমদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবী জানাই ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort