শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজানে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতে সিএনজি স্টেশন বন্ধের সময় বড়ালো আড়াইহাজার বাজারে মোবাইল কোর্ট, ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা যানজট নিরসনে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করবে ১৫০ স্বেচ্ছাসেবী সোনারগাঁয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ত্বকী হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে আবারও সময় নিল র‍্যাব আওয়ামী লীগের পোড়ানো কার্যালয়ে ব্যানার সাঁটিয়ে স্লোগান বিএনপি সভাপতির পরিচয়ে কারখানা লুট ও কর্মীদের কুপিয়ে জখমের অভিযোগ সাংবাদিক দিপুর মায়ের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র হিসাবে জেলাবাসী: নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব টিপুকে দেখতে চাই

ফতুল্লায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়েই হাজারো মানুষের চলাচল

  • আপডেট সময় শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩, ৩.৫৬ এএম
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জে জেলা জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হলেও আলোর মুখ দেখেননি ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়নবাসী। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি সেখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থায়। এখনও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়েই চলাচল করছেন অধিকাংশ বাসিন্দারা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার কাশীপুর ইউনিয়নের চর কাশীপুর ও হাজীপাড়া এলাকার মাঝখানে শীতলক্ষ্যা নদী সংযুক্ত শাখা খালের উপর প্রায় ছয়শ’ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো দুই পাড়ের মানুষের চলাচলের অন্যতম পথ।

স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাসহ কাশীপুর ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শবর্তী বক্তাবলী, গোগনগর ও আলীরটেক ইউনিয়নের মানুষও সাঁকোটি নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক যুগ আগে নির্মান করা এই সাঁকোটি বর্তমানে নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় চলাচলের জন্য খুবই ঝুঁকিপূণ অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। দুই তিনজন মানুষ এক সাথে চলাচল করলে জরাজীর্ণ সাঁকোটি হেলেদুলে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়।

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। পা পিছলে সাঁকো থেকে মানুষের খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও অহরহ ঘটছে। এছাড়া ইজারাদার জনপ্রতি তিন টাকা করে টোল আদায় করলেও সাঁকোটির মেরামতও করা হয় না।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খালটির উপর একটি সেতু অথবা কালভার্টযুক্ত রাস্তা নির্মান করতে এলাকাবাসী দীর্ঘ এক যুগ ধরে দাবী জানালেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বার বার প্রতিশ্রুতি ও নানা ধরণের আশ্বাস দিয়েও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে লক্ষাধিক মানুষকে।

এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি স্থানীয় কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম সাইফ উল্লাহ বাদল। তবে জনগণের দূর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল।

 

বাবু চন্দন শীল বলেন, এই বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন পর্যন্ত আমার কাছে কেউ কোন আবেদন করেন নি। তবে জংণের দূর্ভোগ লাঘবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তাই করা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort