
এম আর দিপু : আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে চলছে বিভিন্ন সংগঠনের মনোনীত ও প্রত্যাশী প্রার্থীদের দৌড় ঝাপ। এর ই মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৫ ডিসেম্বের দেশে ফিরেছেন। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নির্বাচনি হালচাল অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে উঠেছে। তারেক রহমাননের উপস্থিতি দেশের বৃহত্তম শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে বিএনপি তার পুরান রুপ ফিরে পেয়েছে। আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েছে সেই সাথে প্রার্থীগণ নির্বাচনি প্রচার প্রচারনায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন। এদিকে ফতুল্লা ৪ আসনে মনির হোসেন কাশেমীকে বিএনপি মনোনয়ন দেওয়ায় ৪ আসনে রাজনৈতিক সমিকরন অনেকটাই প্লাটে গেছে। ইতিপূর্বে দেখা গেছে ফতুল্লা থানা বিএপির সাবেক সভাপতি শিল্পপতি শাহ আলম তিনি বিএনপির পক্ষ্যে নির্বাচনি প্রচার প্রচারনা করেন। তিনি নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন এমনটি ধারনা করেই বিএনপির নেতা কর্মি ও জনগনকে সাথে নিয়ে সভা সমাবেশ চালিয়ে জান। এছারাও দেখা যায় বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী তিনিও বিএনপির ব্যানারে নির্বাচনি প্রচার প্রচারনা করেন এবং আশাবাদি হয়ে উঠেন। নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনে চুড়ান্ত মনোনয়ন শূনতা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কমতি ছিলোনা। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় সাবেক এমপি আলহাজ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের নাম ও উঠে আসে তবে তিনি অন্যদের ন্যায় ঢাক ঠোল পিটানো থেকে বিরত ছিলেন। ৯০ দশকে পর এই আসনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিরাজুল ইসলাম সাংসদ সদস্য থাকাকালীন ঝিমিয়ে পরা বিএনপিকে চাঙ্গা করেন। সিরাজুল ইসলাম প্রয়াত হওয়ার পর সংগঠনটির হাল ধরেন এবং আরো শীক্তশালী করে তোলেন সাবেক এমপি আলহাজ¦ গিয়াস উদ্দিন। জনজরিপে দেখা যায় আলহাজ¦ গিয়াস উদ্দিন ফ্যাসিস আওয়ামী সরকারের জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে দলকে সুসংগঠিত ও এগিয়ে নিতে মুখ্যম ভুমিকা পালন করেন তথা আন্দোলন সংগ্রামে তার অবদান ছিলো চোখে পরার মতো। সাধারণ জনতা বলছেন এই আসনে সাবেক এমপি আলহাজ¦ গিয়াস উদ্দিন মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাাচনে জয়ী হলে ফতুল্লা ৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন হবে সেই সাথে সংগঠনকে আরো গতিশীল করে তুলতে সক্ষম হবেন। গুঞ্জন উঠেছে বিএনপি হাইকমান্ড কর্তৃক মনির হোসেন কাশেমীকে যদি চুড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়ে থাকেন তাহলে অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যারা অধির আগ্রহে ছিলেন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার লক্ষ্যে এদের অবস্থান কি হতে পারে। তাহলে কি ফুতুল্লায় সতন্ত্র প্রাথীদের হিরিক বসবে ?। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় এই সকলল প্রার্থীরা দল থেকে মনোনয়ন না পেলে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন। সাধারন জনগণ বলছেন একই দলের সমর্থকরা যদি সতন্ত্র প্রার্থী হন তাহলে বিএনপির মধ্যেই ভোট ভাগাভাগি হবে সেক্ষেত্রে কে হতে যাচ্ছেন ৪ আসনের কান্ডারী তা এখন দেখার অপেক্ষার পালা মাত্র।