
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, অহেতুক নিজের দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কখনোই বিবেচনাসম্মত হতে পারে না। আমি কোনো প্রাপ্তি আশা করি না। বিএনপির অনেকেই শামীম ওসমানের সঙ্গে কথা বলে চলেছে। আমি করি নাই। আমার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে তখন জীবন বাজী রেখে আপনাদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম।
যার কারণে আপনাদের সঙ্গে হৃদয়ের একটা সংযোগ ঘটেছে আমার। বিশেষ করে ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, বক্তাবলী, আলীরটেক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। একজন সাধারণ মানুষও আমাকে ভালোবাসে। যে আমাকে ভোট দিবে না সেও বলে তাকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত ছিল।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকায় ফতুল্লা থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, আমার এক দরজা বন্ধ করে দিলে দশ দরজা খুলে যাবে। যারা জনগণের পাশে থেকে কাজ করেন তাদের আর কয়টা দরজা বন্ধ করবেন।
আপনারা নেতাকর্মীরা আমাকে ভালোবাসেন। যখন দেখলেন আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নি তখন ভাবলেন আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তখন আপনারা আমার পক্ষে মনোনয়ন কিনেন। পরে আমার এখানে এসে আমাকে স্বতন্ত্রতে নির্বাচন করার আহ্বান করেন। আমি সেদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কারণ আপনাদের অনুরোধকে আমি প্রত্যাখান করতে পারি না।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ মোল্লার সভাপতিত্বে ও ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দাকার মনিরুল ইসলাম, ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন খন্দাকার শিপন, কবির প্রধান, লোকমান হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক খন্দকার আক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আলী, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী বিল্লাল হোসেন, কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাঈনুল হাসান রতন, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, এনায়েত নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান সুমন, ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদসহ আরো অনেকে।