
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় কক্সবাজারের টেকনাফে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে জোরদার করা হয়েছে টহল, নজরদারি ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চলছে নিয়মিত ফুট পেট্রোলিং ও প্রচারণা।
বুধবার দুপুরে টেকনাফে নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্টগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান। এ সময় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টেকনাফে নৌবাহিনীর প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত, বাড়তি সতর্কতা রয়েছে উল্লেখ করে মঈনুল হাসান বলেন, ‘টেকনাফ একটি ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকা। অবৈধ অস্ত্র, মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মানবপাচারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চল বিশেষ নজরদারির মধ্যে রয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ছিল বাড়তি উদ্বেগ।
‘এই উদ্বেগ দূর করতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ বজায় রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রতিদিন টেকনাফ পৌর এলাকা, প্রধান সড়ক এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’
নৌবাহিনী জানিয়েছে, যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স, সোয়াডস টিম, ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা। পাশাপাশি বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।