
এম আর দিপু : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ত্রয়োদশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ন করেই তফসিল ঘোষনা দিয়েছেন তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে মনোনয়ন সংগ্রহে দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। ২৯ ডিসেম্বর ছিলো মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে ২৮ নভেম্বর ৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও ২৯ ডিসেম্বর এর পরিসমাপ্তি ঘটে।
নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সংগঠন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সহ মোট ৮৩ জন ব্যাক্তি মনোনয়ন ক্রয় করেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছারাও এবার দলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন ছিটকে পড়ায় তারা অবশেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র ক্রয় ও জমা দিয়েছেন বলে জানাগেছে। নারাণয়গঞ্জ ৫টি আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে তবে নারায়ণগঞ্জ – ৪ ( ফতুল্লা) আসনে যে সকল প্রার্থী সতন্ত্র হিসেবে জমা দিয়েছেন এরা সকলেই বিএনপির সাবেক ও বর্তমান পদবিধারী নেতা। রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন উঠেছে যে সকল প্রার্থী সতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে এরা দলের সিদ্ধিান্তের বাহিরে গেলে হয়তো হাইকমান্ড হতে বহিস্কার আদেশ আসতে পারে তাদের বিরুদ্ধে। কেউ বলছেন নির্বাচনে শেষ অবদি যে মাঠে ময়দানে বহিস্কার ছারা টিকে যাবেন হয়তো শেষ হাসিটা সেই হাসবেন। বিশেষ করে ফতুল্লা আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী স্বতন্ত্র থাকায় বিপাকে পরতে পারেন জোটের প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমী। নারায়ণগঞ্জে ৫ আসনে ১ জন ব্যাতিত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সকলেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জমা দিয়েছেন এদের মধ্যে বিএনপির সাবেক এমপি এড.আবুল কালাম, নাঃগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড.সাখাওয়াত হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইফসুফ খান টিপু, মডেল গ্রæপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান মাসুদ, প্রাইম গ্রæপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল সহ অন্যান্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। অনেকেই বলছেন মার্কা নয় ব্যাক্তি বিশেষকেই জনগণ ভোট দিবে। তবে দেশের বৃহত্তম সংগঠন জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি প্রতিক ধানের শীষ হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অধিকাংশ বি এন পি নেতা যারা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলায় প্রতিটি চায়ের টেবিলে একই গুঞ্জন উঠেছে কে হাসবে শেষ হাসি বিশেষ করে নারাণয়গঞ্জ ৪ আসনে। কি হতে যাচ্ছে সতন্ত্র প্রার্থীদের! বহিস্কার নাকি বহাল!। সাধারণ ভোটাররা বলছেন শহিদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিক ধানের শীর্ষ এই প্রতিকে দেশের জনগনের ভোটাধীকারে ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। সেই প্রতিকের বাহিরে ব্যাক্তি বিশেষকে ভোট দিবে দলের সমর্থিত ভোটারেরা বিষয়টি সহজ ভাবে নেওয়াটা কষ্টকর হলেও দলের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশের জনগন তাদের নিজের ভোট প্রদানের বা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে যার প্রসংশার দাবি রাখে দেশের আপামর জনগণ। মানুষের মাঝে উসব আর উদ্দিপনা বিরাজ করছে একটি নতুন সরকার গঠন হওয়ার আসায় আর সেই আসাকে এবার বাস্তবে রুপ দিতে চলছে দেশের সরকার ও ১৮ কোটি জনতা। এদিকে হ্যাভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে আলহাজ¦ গিয়াস উদ্দিন তিনি একজন রাজনৈতিক ও শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিত্ব মানুষ তিনি নিবৃাচনে জয়ী হয়ে আসলে ফতুল্লা থানা বিএনপি সহ সংগঠন আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। অন্যদিকে আছেন শিল্পপতি শাহ আলম যিনি ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়েও পরাজয় মেনে নিয়েছেন। রাজনৈতিক কিং মেকার বলা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে তিনিও এশবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে ছিলেন বিএনপির টিকেটে। নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি ও ফতুল্লা থঞানা বি এন পির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু এরাও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন। প্রশ্ন উঠেছে এই সকল হেভিওয়েট প্রার্থীরা দলের জন্য কাজ করেছেন ত্যাগ শিকার করেছেন দীর্ঘ ১৭টি বছর। এদের আগামীদিনের অবস্থান কি হতে পারে সে নিয়ে সংসয় নেতা কর্মিরা। তবে অনেকইে বলছেন দলের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত তাই দলকে ভালবেসে সিদ্ধান্তর বাহিরে যাবেন না নেতাকর্মীরা এমনটি বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে।