
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া মোহনপুর গ্রামের চা দোকানি আব্দুল আজিজের ছেলে ইমন আলী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেও আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ভর্তি ও প্রয়োজনীয় বইপত্র, আনুষঙ্গিক সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারছিল না। বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তা দৃষ্টিগোচর হয় পুঠিয়া–দুর্গাপুর আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল-এর।
খবরটি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার ছেলে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার আবু বক্কর সিদ্দিক রাজন-এর সঙ্গে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে ইমন আলীর ভর্তি ও ভবিষ্যৎ পড়াশোনার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইমন আলীর বাবা চা ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি সারাদিন চা বিক্রি করে কোনো রকমে সংসার চালাই। আমার পক্ষে ছেলেকে মেডিকেল কলেজে পড়ানোর মতো সামর্থ্য নেই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের মতো একজন মানুষকে পাঠিয়েছেন। তিনি শুধু ধানের শীষের প্রার্থী নন, তিনি একজন মানুষ গড়ার কারিগর।”
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমরা দেখে আসছি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান। তার মানবিক কর্মকান্ডে উদাহরণ দিয়ে আব্দুল আজিজ জানান, গন্ডগোলী পূর্বপাড়া এলাকার মোকসেদ আলী নামের এক ব্যক্তির পরিবারও একসময় চরম সংকটে ছিল। তখন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল তাকে দুই-তিনটি পুকুরের দায়িত্ব দেন এবং প্রায় ৮–১০ বিঘা জমি চাষের সুযোগ করে দেন। যার ফলে আজ মোকসেদ আলীর পরিবার একটি সুসংগঠিত মধ্যবিত্ত পরিবারে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।