শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
মুক্তিজোট থেকে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনে মনোনয়ন নিলেন ফটো সাংবাদিক আমজাদ  সোনারগাঁয়ে ‘ফুলেল খেলাঘর আসর’-এর যাত্রা শুরু, হাতের লেখার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় শিশুদের অংশগ্রহণ নদী দখলমুক্ত করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ: নারায়ণগঞ্জে নৌ উপদেষ্টা সিটি পার্কের লেকে ভাসছিল মরদেহ, পাড়ে বড়শির ছিপ পোস্টার সাঁটানোকে কেন্দ্র করে এনসিপির ৩ কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী মামলার চার্জশিট থেকে নাম বাদ দিতে অপরাধীদের তৎপরতা মানবাধিকার সুরক্ষায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মানব কল্যাণ পরিষদের শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী প্রতারক হাবিবুর গ্রেফতার ! অবহেলিত নির্যাতিত মানুষের পাশে থেকে আমরণ সেবা করে যেতে চাই নারায়ণগঞ্জ ৫ সদর বন্দর সতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন শীতের কম্বল বিতরণ করেন দরিদ্র অসহায়দের মাঝে রুপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম

ইউক্রেনে রুশ পরিচয় জোরদারের নির্দেশ পুতিনের

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২.৩৩ পিএম
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

২০২২ সালের অভিযানের পর রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইউক্রেনের ইউক্রেনের অংশগুলোতে রুশ ভাষা ও পরিচয়কে সুসংহত করতে হবে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পুতিন স্বাক্ষরিত এবং প্রকাশিত একটি নথিতে এ কথা বলা হয়েছে। নথিতে উল্লেখ করা হয়, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়াসহ সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে রুশ ভাষা ও রুশ পরিচয় সুসংহত করা এখন রাশিয়ার অন্যতম অগ্রাধিকার। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

‘২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার জাতীয় নীতির কৌশল’ শিরোনামের নথিটিতে আরও বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলে রুশ জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা ও ভাষাগত উপস্থিতি দৃঢ় করতে সরকারকে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

এতে বলা হয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে দেশের ৯৫ শতাংশ জনগণ যেন নিজেদের রুশ বলে শনাক্ত করে— তা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

সোভিয়েত যুগের আগের সময় থেকেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে, যার ফলে কিছু ইউক্রেনীয় ঐতিহ্যগতভাবে রাশিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল এবং অধিকাংশই উভয় ভাষায় কথা বলত। কিন্তু রুশ আক্রমণের পর যেকোনও ধরনের সহানুভূতি উধাও হয়ে গেছে এবং জরিপে দেখা গেছে, রুশ ভাষার ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মঙ্গলবার বলেন, কিয়েভ ইউরোপের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী ও বিধ্বংসী সংঘাতটি শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। তবে ইউক্রেন উদ্বিগ্ন যে তাদেরকে হয়ত রাশিয়ার শর্তানুযায়ী, বিশেষ করে আঞ্চলিক ছাড়ের বিনিময়ে, একটি চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করা হতে পারে।

পুতিন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করেন। তিনি বলেন, লক্ষ্য হলো দেশটিকে ‘নিরস্ত্রীকরণ ও নাজিমুক্ত’ করা এবং পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী রুশ ভাষাভাষীদের, যাদের বিরুদ্ধে ক্রেমলিনের ভাষ্যমতে প্রকাশ্য বৈষম্য করা হচ্ছিল, তাদের মুক্ত করা।

ছয় মাসের মধ্যে দোনেস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলগুলো রাশিয়ার সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও মস্কো এসব অঞ্চলের ওপর পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি।

নথিতে বলা হয়েছে, যা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে, পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা ‘রুশ রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক ভূখণ্ডগুলোর ঐক্য পুনরুদ্ধারের শর্ত তৈরি করেছে’।

নথিটি আরও বলেছে, ‘সামগ্রিক রুশ নাগরিক পরিচয়’ শক্তিশালী করতে, রুশ ভাষার ব্যবহারকে দৃঢ় করতে এবং অমিত্র বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর দ্বারা জাতিগত ও ধর্মীয় সম্পর্ক অস্থিতিশীল করা এবং সমাজে বিভাজন সৃষ্টির প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অত্যাবশ্যক।

১৯৯০-এর দশক থেকে ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণের বিরোধিতার পাশাপাশি, রুশ ভাষাভাষীদের সুরক্ষা এবং ঐতিহাসিকভাবে রুশ বিবেচিত এলাকাগুলোর পুনঃএকত্রীকরণকে ইউক্রেনে মস্কোর বিশেষ সামরিক অভিযানের মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন পুতিন।

ইউক্রেন ১৯৯১ সালে সোভিয়েত পতন ও স্বাধীনতার পর থেকে ইউক্রেনীয় ভাষাকে একমাত্র রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে চালু করেছে। তবে কিয়েভ কর্তৃপক্ষ রুশ ভাষাভাষীদের প্রতি যে কোনও বৈষম্যের ধারণা অস্বীকার করে।

রাশিয়া দাবি করে যে, ২০১৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রাশিয়া-সমর্থিত তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর থেকেই ইউক্রেনের জনজীবনে নব্য-নাৎসি মতাদর্শ ছড়িয়ে পড়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2021 rudrabarta24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com

sakarya bayan escort escort adapazarı Eskişehir escort